বর্ষ ১ - সংখ্যা ৪৯

সংবাদ শিরোনাম :
মার্চেই প্রাথমিকে ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ ::. গাজীপুরে অস্ত্র ও গুলিসহ ৬ ডাকাত আটক ::. গাজীপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আ.লীগ প্যানেল জয়ী ::. গাজীপুরের শ্রীপুরে সড়কে গর্ত ও ধুলায় জনদুর্ভোগ চরমে ::. গাজীপুরের ‘জাগ্রত চৌরঙ্গী’ এখন মূত্রত্যাগীদের পাবলিক টয়লেট !! ::. কালিয়াকৈরে কবরস্থানের জমিতে মার্কেট নির্মাণের অভিযোগ ! ::. উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী ড. মেঘনাদ সাহার স্মরণ সভা পালিত ::. শ্রী শ্রী মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান ও অষ্টকালীন লীলা কীর্তন অনুষ্ঠিত ::. মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানির দ্বার উন্মোচন ::. পুলিশি হামলা : দুঃশাসনের বহিঃপ্রকাশ : বিএনপি ::. বুড়িগঙ্গার সীমানা নির্ধারণ ও দখলদার উচ্ছেদের দাবি ::. রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরার অধিকার রয়েছে ::. সার্বভৌম সম্পদ তহবিল গঠন করতে যাচ্ছে সরকার ::. শ্রীপুরে খোলা জায়গায় পোল্ট্রি ফার্মের বর্জ্যে : দূষিত হচ্ছে পরিবেশ ::. কালিয়াকৈরে দুটি ঝুটের গুডাউনে অগ্নিকান্ড ::.
A+ A A-

দেড় শ রকমের পিঠা নিয়ে জাতীয় উৎসব

শিল্পকলা একাডেমির মাঠে সারি সারি স্টল। সামনে খোলা মঞ্চ। সেখানে চলছে লোকগান আর নৃত্য। স্টলগুলোতে তৈরি হচ্ছে গরম গরম চিতই, ভাপা, পাটিসাপটা, ঝাল চাপড়িসহ হরেক রকমের পিঠা। লোক সমাগমও প্রচুর। শীত বেশ জাঁকিয়ে বসেছে দিন তিনেক থেকে। লোকে গরম কাপড় গায়ে চেপে গরম গরম পিঠার স্বাদ নিতে নিতে মেতে উঠছেন গানের সুরে।
গতকাল শুক্রবার ছুটির দিনের সন্ধ্যায় এমনি জমজমাট পরিবেশ দেখা গেল একাডেমির মাঠে জাতীয় পিঠা উৎসবের উদ্বোধনীতে। এখানে নবমবারের মতো আয়োজন করা হয়েছে জাতীয় পিঠা উৎসব। জাতীয় পিঠা উৎসব উদ্যাপন পরিষদের আয়োজনে আট দিনের এই উৎসবের প্রধান অতিথি ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম। উৎসবের উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট শিল্পী রফিকুন নবী। বিশেষ অতিথি ছিলেন নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার, আতাউর রহমান, কবি মুহাম্মদ সামাদ, কাজী রোজী, নৃত্যশিল্পী আমানুল হক প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন উৎসব উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি ম হামিদ। স্বাগত বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক খন্দকার শাহ্ আলম। পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে উৎসবের উদ্বোধন করা হয়।
প্রতিদিন বেলা তিনটা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত পিঠা উৎসব চলবে। চলবে ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। সুস্বাদু পিঠার সঙ্গে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও চলবে প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে।
শীতের শুরু থেকেই মহানগরে বিভিন্ন সংগঠনের আয়োজনে পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়। তবে জাতীয় পর্যায়ের এই উৎসবের আয়োজন যেমন ব্যাপক. পিঠার সম্ভারও তেমনি বৈচিত্র্যময়। আয়োজকেরা জানালেন, দেড় শতাধিক রকমের পিঠা এসেছে উৎসবে। এবার আয়োজনের বৈশিষ্ট্য হলো, সারা দেশের বিভিন্ন জেলার ঐতিহ্যবাহী পিঠাগুলো আনা হয়েছে। স্টল দেওয়া হয়েছে এলাকার ভিত্তিতে। যেমন বরিশাল অঞ্চলের পিঠা আছে চন্দ্রদ্বীপ পিঠাঘরে। এ রকমভাবে আছে চাঁপাই পিঠাঘর, যশোর পিঠাঘর, মাগুরা পিঠাঘর, ফরিদপুর পিঠাঘর, সোনারগাঁও পিঠাঘর, মাদারীপুর পিঠাঘর, নোয়াখালী চান্দা পিঠাঘর, সেগুনবাগিচা পিঠাঘর ইত্যাদি। সব মিলিয়ে স্টল আছে ৩৫টি। সচরাচর যেসব পিঠা দোকানে পাওয়া যায়, সেগুলো ছাড়াও রয়েছে বকুল পিঠা, তালের পিঠা, মুগপাকন, ঝাল চাপড়ি, কলা পিঠা, মালপোয়া, পাতা পিঠা, সাবু পিঠা, নকশী পিঠা, মাশরুম পিঠাসহ হরেক রকম পিঠা। প্রতিটির দাম ১০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত।
প্রতিটি স্টলেই রয়েছে ২০ থেকে ২৫ রকমের পিঠা। বাড়ি থেকে তৈরি করে আনা পিঠার পাশাপাশি অনেক স্টলেই হরেক রকম পিঠা তৈরিও করা হচ্ছে। বাসাবো থেকে সপরিবারে পিঠা উৎসবে এসেছিলেন ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের কর্মকর্তা শহীদুল্লাহ ভুঁইয়া। তিনি জানালেন, এখানে একসঙ্গে অনেক রকম পিঠা পাওয়া যাচ্ছে। চিতই, ভাপা—এসব পিঠা তো সবখানেই পাওয়া যায়। একটু অন্য রকম পিঠার স্বাদ নিতেই উৎসবে আসা। তা ছাড়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থাকায় সন্ধ্যাটি বেশ ভালো কেটেছে।