তাপসমালা – গিরীশচন্দ্র সেন

0
20
Print Friendly, PDF & Email

তাপসমালা (১৮৮০–১৮৯৬) ফার্সি কবি শেখ ফরিদ-উদ্-দ্বীন আত্তার রচিত ‘তাজকিরাত-উল-আউলিয়া’ গ্রন্থের বাংলা অনুবাদ। গিরীশচন্দ্র সেন মূল ফার্সি থেকে এটি বাংলায় অনুবাদ করেন।

গিরীশচন্দ্র সেন ফার্সি ভাষা জানতেন। মোঘল আমলে উচ্চাকাঙ্ক্ষী হিন্দু পরিবারে ফার্সি শেখার প্রচলন ছিল। কারণ, ফার্সি ছিলো মোঘল রাষ্ট্রের প্রশাসনিক ভাষা। ইংরেজরা মোঘলের স্থলাভিষিক্ত হবার পরেও দীর্ঘ দিন ফার্সির স্থলাভিষিক্ত হয়নি ইংরেজি। গিরীশচন্দ্র সেনের জন্মের দুই বছর পর, ১৮৩৭ সালে ফার্সির বদলে ইংরেজিকে প্রশাসনিক ভাষা হিসাবে ঘোষণা করা হয়। কিন্তু ততদিনে ফার্সির সাথে ভারতের সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়ে গেছে। ফলে তাৎক্ষণিকভাবেই ফার্সির প্রচলন উঠে যায়নি। তবে আরো আগে থেকেই ইংরেজদের ক্ষমতাসীন হবার সাথে তাল মিলিয়ে ইংরেজির প্রতি আগ্রহ বাড়তে থাকে এবং ফার্সির প্রতি আগ্রহ কমতে থাকে।

গিরীশচন্দ্র সেন কেবল প্রশাসনিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার ধারাবাহিকতায় ফার্সি শিখেছিলেন বলা যায় না, কেননা তিনি আরবী ভাষাও শিখেছিলেন। আল-কোরানের প্রথম বাংলা অনুবাদ করেন তিনি, মূল আরবী থেকে।

ডাউনলোড করুন:
গিরীশচন্দ্র সেনের ‘তাপসমালা (১৮৮০)’

Facebook Comments