শ্রীপুরে বি.এন.পি’র সহস্রাধিক নেতা-কর্মীদের নামে বিস্ফোরণ ও দ্রুত বিচার আইনে ১৫টি মামলা, গ্রোফতারের ভয় দেখিয়ে উৎকোচ আদায়

0
9
Print Friendly, PDF & Email

বি.এন.পি. নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের এক দফা এক দাবী নিয়ে নানা কর্ম সূচীকেঘিরে হরতাল ও অবরোধের নামে শ্রীপুরে বি.এন.পি. ও ১৮ দলীয় জোটের শরীক দলের প্রায় সহস্রাধিক নেতা-কর্মীদের নামে বিস্ফোরক ও দ্রুত বিচার আইনে ১৫ টি মামলা দায়ের দায়ের করে শ্রীপুর মডেল থানা পুলিশ।

জানা গেছে, ১৮ দলীয় জোটের কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে শ্রীপুরে বিএনপি নেতাকর্মীরা মিছিলের প্রস্তুতিকালে পুলিশ অতি উৎসাহিত হইয়া মিছিলে বাধা ও নেতাকর্মীদের উপরে হামলা, লাঠি চার্জ, রাবার বুলেট, কাঁদানি গ্যাস নিক্ষেপ করে বিএনপি নেতাকর্মীদের ছত্রভংগ করে। আবার পৌর বি.এন.পি;র সভাপতি এড. কাজী খান সহ অন্যান্যদের নামে থানায় দ্রুত বিচার ও বিস্ফোরক আইনে মামলা দায়ের করে। এমনকি দুই ছাত্রদল নেতা জেলে থেকেও পুলিশের মামলা থেকে রেহায় পায়নি।

গত ২১ ডিসেম্বর সন্ধ্যার সময় পৌর বিএনপি’র সভাপতির অফিসে বিএনপি অবরোধের পক্ষে মিছিলের প্রস্তুতিকালে বিনা উস্কানিতে শ্রীপুর থানার ওসির নেতৃত্বে নেতাকর্মীদের ওপরে লাঠি চার্জ, রাবার বুলেট, কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। এসময় বিএনপি’র ১০ কর্মী গুলিবিদ্ধ হন। শ্রীপুর থানা পুলিশ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের নামে একের পর এক দ্রুত বিচার আইন ও বিস্ফোরক মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। যাহা অন্য কোন জেলায় এমন কোন ঘটনা ঘটেনি বলে দাবী জানান শ্রীপুর বি.এন.পি’র সিনিয়ন নেতারা।

পৌর বিএনপি সভাপতি এড. কাজী খান জানান, কয়েকদিন অবরোধকালে স্থানীয় নেতাকর্মীদের নামে বিস্ফোরণ ও দ্রুত বিচার আইনে থানায় ১৫ টি মামলা দিয়ে পুলিশ নেতাকর্মীদের হয়রানি ও বাড়িতে অভিযান চালাচ্ছে এবং অনেক নেতাকর্মীদের কাছ থেকে গ্রেফতারের ভয় দেখিয়ে উৎকোচ আদায় করছে।

শ্রীপুর বি.এন.পি’র সিনিয়ন নেতারা জানান, পুলিশ আ’লীগ পুলিশ হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচীতে গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে আ’লীগের স্থানীয় এম.পি’র মন যোগাচ্ছেন।

গত ২১ ডিসেম্বর পৌর যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহসিন আকন্দকে গ্রেফতার করে। মহসিন আকন্দের বিরুদ্ধে এই মাসের বিস্ফোরক আইনের মামলা থাকা সত্বেও পুলিশ মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে সাধারণ মামলায় চালান দেয় ও বিস্ফোরক মামলা আড়ালে রেখে আদালতে প্রেরন করে।

Facebook Comments
শেয়ার করুন