শ্রীপুরে স্কুল ছাত্রীর বাল্য বিয়ে রেজিষ্ট্রি

0
7
Print Friendly, PDF & Email

শ্রীপুর নিউজ: ভূয়া জন্ম নিবন্ধন সৃষ্টি করে মোটা টাকার বিনিময়ে স্কুল ছাত্রীর বাল্য বিয়ে রেজিষ্ট্রি করার সময় স্থানীয় জনতা বরমী ইউনিয়নের কাজী মাও: মহিউদ্দিন তার সহকারী বদরুল ও মেয়ের বাবা সিরাজুল ইসলামকে আটক করে বরমী ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট সোপর্দ করে। কৌশলে কাজী মহিউদ্দিন পালিয়ে গেলেও পুলিশ তার সহকারী ও ওই ছাত্রীর পিতাকে পুলিশ গ্রেফতার করে ভ্রাম্যমান আদালতে সোপর্দ করে। জানা যায়, বরমী ইউনিয়নের কায়েত পাড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের কন্যা ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী (১৪) সাথে পার্শ্ববর্তী গফরগাঁও উপজেলার নিগুয়ারী গ্রামের শফিউল­াহর পুত্র নবী হোসেন (২৫) এর বিয়ে অনুষ্ঠিত হয় বৃহস্পতিবার বিকেলে। এ সময় স্থানীয় জনতা বাল্য বিয়ে রেজিষ্ট্রি করায় ক্ষিপ্ত হয়ে কাজী মহিউদ্দিন, সহকারী বদরুল, ছাত্রীর বাবা সিরাজুল ইসলামকে ধরে নিকাহ রেজিষ্ট্রির বালাম বই সহ স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট সোপর্দ করে। কৌশলে কাজী পালিয়ে গেলেও অপর দু’ব্যক্তিকে শুক্রবার ভ্রাম্যমান আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা জরিমানা করে। ভ্রাম্যমান আদালতে বিচারক ও শ্রীপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজমুল ইসলাম ভূইয়া জানান, কাজী মহিউদ্দিন ওই ছাত্রীর প্রকৃত জন্ম তারিখ ৬/৪/৯৯ পরিবর্তন করে জ্বাল জন্ম নিবন্ধন সনদ সৃষ্টি করে তাতে ওই ছাত্রীর বয়স ৬/৪/৯৫ লিখে কাবিন রেজিষ্ট্রি করে। এছাড়া ওই কাজী নিকাহ রেজিষ্ট্রি বালাম বই নং- ২২/১৩ তে ২৮টি বিয়ে রেজিষ্ট্রি করেছে। রেজিষ্ট্রিকৃত বিয়ের একটিতে নিকাহ রেজিষ্ট্রারের স্বাক্ষর থাকলেও রহস্য জনকভাবে ২৭টি বিয়েতে নিকাহ রেজিষ্ট্রারের স্বাক্ষর নেই। উক্ত বালাম বইয়ের ২৯টি পৃষ্ঠা পর্যন্ত ২৮টি নিকাহ লিপিবদ্ধ হলেও অজ্ঞাত কারনে ফাঁকা রয়েছে ১৯ নম্বর পৃষ্ঠা। এ বিষয়ে কাজী মহিউদ্দিনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

Facebook Comments
শেয়ার করুন