কাপাসিয়ায় অবরূদ্ধ এমপি রিমি

0
8
Print Friendly, PDF & Email

কাপাসিয়ায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থী বাছাইকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের তোপের মুখে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন সংসদ সদস্য (এমপি) সিমিন হোসেন রিমি। এ সময় প্রার্থীদের পক্ষে-বিপক্ষে বিক্ষোভ মিছিল ও তুমুল হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে এমপি রিমিকে উদ্ধার করে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে কাপাসিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উপজেলা শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে সন্ধ্যায় শহরের বিভিন্ন সড়কে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিকেলে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান নির্ধারণ করতে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুর দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুহম্মদ শহীদুল্লাহ অন্য কাউকে বক্তব্য দেয়ার সুযোগ না দিয়ে সরাসরি এমপি রিমিকে বক্তব্য দিতে বলেন। এ সময় এমপি রিমি কাউকে মনোনয়ন না দিয়েই বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন মোল্লার মনোনয়নের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে বক্তব্য শেষ করেন।

রিমি এমপির বক্তব্য শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই উপস্থিত নেতাকর্মীদের একটি অংশ হাতাহাতি, ধাক্কাধাক্কি এবং বিক্ষোভ-হট্টগোল শুরু করে। নেতাকর্মীরা সভাপতি শহীদুল্লাকে অবাঞ্ছিত বলে স্লোগান দিতে থাকে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরিফ ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাহার মোল্লার সমর্থকরা এমপি রিমি ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মুহম্মদ শহীদুল্লাহকে অবরুদ্ধ করে রাখে। এসময় তারা খণ্ড খণ্ডভাবে বিক্ষোভ মিছিল করতে থাকে।

পুলিশ খবর পেয়ে এমপি রিমিকে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে উদ্ধার করে উপজেলা পরিষদের দিকে নিয়ে যায়।

অপরদিকে, অবরুদ্ধ থেকে উদ্ধার হওয়ার পর এমপি রিমি উপজেলা পরিষদে চলে গেলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কয়েকভাগে বিভক্ত হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়কে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে থাকে। বিক্ষোভ মিছিলে নেতাকর্মীরা উপজেলা সভাপতি শহীদুল্লাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে স্লোগান দেয়।

Facebook Comments