বিএনপির উপজেলা নির্বাচনে আসা সন্দেহজনক

0
9
Print Friendly, PDF & Email

বিএনপির উপজেলা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা সন্দেহজনক বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ। সোমবার বিকালে মিরপুর গোলারটেক মাঠে ১৪ আসনের মিরপুর শাহআলী দারুস সালাম ও রুপনগর থানা এবং ৭,৮,৯,১০,১১,১২,১৩ ও ৯৩ নং ওয়ার্ডের ত্রি-বার্ষিক সেম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া উপজেলা নির্বাচনে বিশ্বাস করে না। তিনি ৯১ ক্ষমতায় এসে উপজেলা নির্বাচন পদ্ধতি বাতিল করে সকল নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যানদের বরখাস্ত করেছিল।’ আমরা স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরো গতিশীল করব উল্লেখ করে আশরাফ বলেন, ‘আমরা গত সরকারে ক্ষমতায় এসে গাজীপুর ও নারায়নগঞ্জ সিটি করপোরেশন বৃদ্ধি করেছি। আগামীতে স্থানীয় সরকারের অন্যান্য বিভাগগুলোকেও আরো শক্তিশালী করব।’

আগামীতে দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচনের বিল সংসদে তোলা হবে উল্লেখ করে আশরাফ বলেন, ‘দেশের সকল নির্বাচনই রাজনৈতিক ভিত্তিতে হয়। কিন্তু আমাদের দেশে জাতীয় নির্বাচন দলীয় ভিত্তিতে হয় এবং স্থানীয় সকল নির্বচন দলীয় প্রতীকবিহীন করা হয়। এ ধরণের নির্বাচন পৃথিবীর অন্য কোন দেশে নাই। তাই আগামীতে দলীয় প্রতীকে করার জন্য সংসদে বিল তুলে আইন পাশ করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন। স্থানীয় সকল পর্যায়ের বিভাগগুলোকে ভাল ভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সেখানে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করার জন্য আমরা সেভাবে কাজ করে যাচ্ছি।’

হলফনামা হচ্ছে রাজনীতিবিদদের চরিত্র হরণ করা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সাধারণ মানুষ এবং রাজনীতিবিদরা সকলেই আমরা ইনকাম ট্যাক্স দেই। সেখানেই আমাদের সম্পদের হিসাব থাকে। আবার নির্বাচন করতে গেলে সেখানে আমাদের হলফনামা দিতে হয়। তাহলে সাধারণ মানুষের জন্য এক আইন এবং আমাদের জন্য আরেক আইন। এক দেশে দুই ধরণের আইন চলতে পারেনা।’ রাজনীতিবিদদের চরিত্রকে কলুষিত করার জন্যেই এই হলফনামার অপব্যবহার করা হয়।

মিরপুর থানা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আগা খাঁন মিন্টুর সভাপতিত্বে কাউন্সেলে আরো বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহউদ্দিন নাছিম, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ত্রাণ ও পুনর্বাশন মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, সংসদ সদস্য আসলামুল হক প্রমুখ।

Facebook Comments