সোনালী ব্যাংকে টাকা লুটের তদন্তে অগ্রগতি নেই

0
21
Print Friendly, PDF & Email
images sm 697861382

গাজীপুর নিউজ ডেস্কঃ সোনালী ব্যাংকের বগুড়ার আদমদীঘি শাখায় সুড়ঙ্গ কেটে ভল্ট ভেঙ্গে টাকা লুটের ঘটনার ১০ দিন পেরিয়ে গেলেও তদন্তে কোনো অগ্রগতি করতে পারেনি পুলিশ।

বরং একের পর এক আটক আর গ্রেফতার করেই পুলিশ নজড় কারার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। যদিও তদন্তের অগ্রগতির আশায় মামলা হস্তান্তর করা হয়েছে গোয়েন্দা পুলিশে।
 
এ ঘটনায় উর্ধ্বতন র্কতৃপক্ষের নির্দেশে সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী প্রদীপ কুমার দত্তকে কারণ র্দশানোর নোটিশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এছাড়া ব্যাংকের প্রধান র্কাযালয়ের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) হাসান ইকবাল, রাজশাহীর মহাব্যবস্থাপক (জিএম) কেএম আফজাল হোসেন, বগুড়ার ডিজিএম আব্দুস সামাদ, আদমদীঘি শাখার ব্যপস্থাপক শামছুদ্দিন শরীফ ও ক্যাশিয়ার আজাহার আলীসহ ৬ র্কমর্কতাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যায় বাংলানিউজের সঙ্গে আলাপকালে তদন্ত কাজের কোনো অগ্রগতি না থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) মিজানুর রহমান।

তিনি জানান, রোববার পর্যন্ত দুই দফা রিমান্ড শেষ হলেও কোনো আশার আলোর দেখা মেলেনি। মামলা ডিবিতে হস্তান্তরের পর থেকে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু সোমবার সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত  তদন্ত কাজে অগ্রগতি না হওয়ায় তিনি অনেকটা হতাশা প্রকাশ করেছেন।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে ওসি (ডিবি) বলেন, দেরিতে হলেও সফল হবে ডিবি পুলিশ। কারণ বিষয়টি নিয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও সতর্কতা অবলম্বন করে তদন্ত কাজ করা হচ্ছে। আশা করি ভালো ফল পাবো।

এর আগে পুলিশের পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১০ মার্চ ব্যাংক সংলগ্ন বিপ্লব ফার্নিচারের সত্ত্বাধিকারী দাবিদার আশরাফুল ইসলাম (৩৭), শ্রমিক মো. শাহীন (২৬), শফিকুল (২৮) ব্যাংকের নিরাপত্তারক্ষী মো. মলিন (২৪) ও পূণ্যদেব (২২), রুহুল আমিন (৩০), নজরুল ইসলামকে (৩২) ৫ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন বগুড়ার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক আহমেদ শাহরিয়ার তারিক।

এছাড়া ১৩ র্মাচ বগুড়ার আদমদীঘির কুসুম্বী গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে মিজানুর রহমান (৪০), জিনইর গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে মোজাম (৫০) ও ডালম্বা গ্রামের মো. বাচ্চুর ছেলে সাহাদত হোসেনকে (৩৩) ৩ দিন করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ।

ঘটনার পর থেকে আশপাশের দোকানের কিশোর শ্রমিকসহ কমপক্ষে অর্ধশত মানুষকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তবে এ নিয়ে ঘটনার কোনো ক্লু উৎঘাটন করতে পারেনি পুলিশ।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) মিজানুর রহমান বাংলানিউজকে বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আশা করছি অচিরেই এ বিষয়ে ভালো কিছু দিতে পারবো।

এর আগে গত ৮ মার্চ বিকেলে সোনালী ব্যাংক আদমদীঘি শাখা সংলগ্ন দোকানের নিচ দিয়ে সুড়ঙ্গ কেটে ভল্ট ভেঙ্গে নগদ ৩২ লাখ ৫১ হাজার টাকা লুট হওয়ার ঘটনাটি প্রকাশ পায়।

Facebook Comments