কালীগঞ্জে প্রধান শিক্ষিকার অপসারণের দাবিতে ধর্মঘট

0
18
Print Friendly, PDF & Email
1401037810

কালীগঞ্জ উপজেলার চুপাইর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা কর্তৃক ছাত্রী নির্যাতনের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি সরেজমিনে তদন্ত করতে গেলে ছাত্রীরা সুষ্ঠ তদন্ত, গণশুনানী ও প্রধান শিক্ষিকা রেনুকা ইয়াসমিনের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও রাস্তায় অবস্থান ধর্মঘট করে।

 

গতকাল রবিবার দুপুরে চুপাইর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রেনুকা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে ছাত্রী নির্যাতনের অভিযোগের ভিত্তিতে গঠিত তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি প্রধান শিক্ষিকার কার্যালয়ে শুনানী কার্য শুরু করেন। তদন্ত কমিটিতে ছিলেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আবু ইউসুফ খান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নার্গিস সুলতানা ও মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ দেলোয়ার হোসেন।

 

এ সময় ছাত্রীরা প্রধান শিক্ষিকার সম্মুখে স্বাক্ষ্য প্রদান করতে অনীহা প্রকাশ, সুষ্ঠ তদন্তের জন্য গণ শুনানী ও প্রধান শিক্ষিকার অপসারণের দাবিতে মিছিল করতে থাকে। এ সময় অভিভাবক, স্থানীয় জনগণ ও শিক্ষক-কর্মচারীগণ ছাত্রীদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে।

 

তদন্ত কমিটি ছাত্রীদের দাবি অনুযায়ী তদন্ত কার্য চালাতে অনিহা প্রকাশ করে চলে আসার সময় ছাত্রীরা রাস্তায় কমিটির গাড়ীর সামনে অবস্থান নেয়। ছাত্রীদের দাবির মুখে তদন্ত কমিটির প্রধান আবু ইউসুফ খান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কামরুল আহসান তালুকদারের সাথে মোবাইলে কথা বলে সুষ্ঠ তদন্তের স্বার্থে প্রধান শিক্ষিকা রেনুকা ইয়াসমিনের সাময়িক অপসারণ ও গণশুনানীর আশ্বাস প্রদান করলে ছাত্রীরা তাদের অবস্থান থেকে সরে আসে। উল্লেখ্য যে, চুপাইর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রেনুকা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মধ্যযুগীয় কায়দায় শারিরীক-মানষিক নির্যাতন, ধর্মীয় নিয়ম-নীতি পালনে বাধা, শিক্ষক-কর্মচারীদের সাথে অসৌজন্যমুলক আচরণ, স্বজন প্রীতিসহ ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।

 

সম্প্রতি নবম শ্রেণীর ছাত্রী আফরিনাকে মধ্যযুগীয় কায়দায় শারীরিক নির্যাতন করলে তার অভিভাবক মোহাম্মদ আলী দেওয়ান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কামরুল আহসান তালুকদারের বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।

Facebook Comments