সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের আশার বাণী

0
18
Print Friendly, PDF & Email
suronjit

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত আশার বাণী শোনালেন।  সংলাপের দাবি করার আগে নাশকতা বন্ধ করতে বলেছেন তিনি।  সেইসঙ্গে নাশকতা প্রতিরোধে সরকারকে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন।

রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে সোমবার দুপুরে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সাবেক রেলমন্ত্রী বলেন, কিছু বুদ্ধিজীবীসহ অনেকেই মনে করেন, নাশকতা ও সন্ত্রাস করে সংলাপের জন্য সরকারকে বাধ্য করা যাবে।  সংলাপ গণতন্ত্রের একটি অব্যাহত ধারা।  কিন্তু কিছু পেট্রলবোমা মেরে, সহিংসতা ও নাশকতা করে সংলাপের জন্য বাধ্য।  কোনো নৈতিকতাকেই বহন করে না।

তিনি বলেন, আমি ওইসব বুদ্ধিজীবীদের বলব, আগে নাশকতা বন্ধ করতে বলুন।  যারা অবরোধ ঘোষণা করেছে তাদের এই নাশকতার দায়িত্ব নিতে হবে।।

জনগণের সমন্বিত শক্তির কাছেই নাশকতাকারীরা পরাজিত হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, সভা-সমাবেশ করার অধিকার সবার আছে।  তবে সেটি হতে হবে নিয়মতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ।  গণতন্ত্র কখনো নাশকতা ও সহিংসতার কাছে পরাজিত হয়নি।  বরং গণতন্ত্র নাশকতাকে নির্মূল করেছে ও করবে। 

চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির উদ্বেগ প্রকাশ করে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মূল আদর্শ গণতন্ত্র আজকে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসের কাছে জিম্মি হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, অনেকে মনে করেন জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দমন শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারের দায়িত্ব।  শুধু সরকারকে কাজ করলেই হবে না, দেশের সব শ্রেণী ও পেশার মানুষকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কাজ করতে হবে। 

সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, রোববার ইডেন কলেজের দুটি মেয়ে পরীক্ষা দিতে এসেছিল।  পেট্রলবোমার আঘাতে তাদের পুড়িয়ে দিয়েছে।  এ থেকে উত্তরণের জন্য সামাজিক শক্তি ও দলমত নির্বিশেষে মাঠে নামার জন্য সরকারকে আহ্বান করতে হবে।

নৌকা সমর্থকগোষ্ঠীর এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইমদাদুল হক সেলিম।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার জাকির হোসেন, সাম্যবাদী দলের নেতা হারুন চৌধুরী ও আব্দুল হাই কানু প্রমুখ।

Facebook Comments