খালেদাকে কার্যালয় থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করার ঘোষণা

0
12
Print Friendly, PDF & Email

ডেস্ক রিপোর্ট: রাজধানীর গুলশান-২ এ বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবন ঘেরাও করতে গিয়ে পুলিশি বাধার মুখে পড়ে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল। এসময় তাৎক্ষণিক এক সমাবেশে বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান সংগঠনের সহ-সভাপতি ইসমত কাদের গামা। তা না হলে তার সংগঠন খালেদা জিয়াকে কার্যালয় থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করার ঘোষণা দেন তিনি। এসময় ইসমত কাদের গামা সাত দফা দাবি পেশ করেন। দাবিগুলো হলো- অবৈধ হরতাল অবরোধ বন্ধ করতে হবে, সহিংসতায় যারা জড়িত তাদের শাস্তি দিতে হবে, নিহত আহতদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে হবে এবং সর্বস্তরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করতে হবে। অবিলম্বে এসব দাবি বাস্তবায়ন না করা হলে খালেদাকে তারা অবরোধ করে রাখবেন এবং অবস্থান কর্মসূচিও পালন করবেন বলে ঘোষণা দেন গামা।

এর আগে বেলা ১১টার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কার্যালয় ঘেরাও করতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের নেতাকর্মীরা। সংগঠনের কয়েকশ নেতাকর্মী সকাল থেকে গুলশান-২ নম্বর কার্যালয়ে জড়ো হয়। পরে তারা খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের দিকে রওনা দেয়। কিন্তু তাদের মিছিলটি গুলশানের শহীদ মেজর নাজমুল হক সড়কে পৌঁছলে পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশের বাধার মুখে তারা সেখানে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বিভিন্ন শ্লোগান দেয়া শুরু করে। এসময় প্রজন্ম লীগ নেতারা বলেন, অবরোধ দিয়ে খালেদা জিয়া আরাম-আয়াশে কার্যালয়ে বসে আছেন। তার নির্দেশে অবরোধকারীরা শ্রমিকদের ওপর হামলা করছে। সাধারণ মানুষ মারা যাচ্ছে। খালেদা জিয়া হামলায় মদদ দিচ্ছেন। মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের পাশাপাশি জাতীয় রিকশা ভ্যান শ্রমিক লীগ ও জাতীয় সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগও খালেদার কার্যালয় ঘেরাও করার জন্য জড়ো হচ্ছে।

এদিকে খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের আশপাশ ও গুলশানের ৮৬ নম্বর রোডের দুই প্রান্তে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। উল্লেখ্য, গত ৩ জানুয়ারি থেকেই গুলশানে নিজ কার্যালয়ে অবরুদ্ধ ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তবে কয়েকদিন আগে তার কার্যালয়ের সামনে থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ও ব্যারিকেড সরিয়ে নেয়া হলেও তিনি বাসায় ফিরেননি।

Facebook Comments
শেয়ার করুন