বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি দুর্নীতি মামলা খালেদার রুলের আদেশ ৫ এপ্রিল পুন:নির্ধারণ

0
14
Print Friendly, PDF & Email
khaleda zia

ঢাকা: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আনিত বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি দুর্নীতি মামলার রুলের রায়ের দিন আগামী ৫ এপ্রিল পুন:নির্ধারণকরেছেন হাইকোর্ট।

আজ রোববার রায়ের দিন পিছিয়ে ধার্য করা হয়েছিল। তবে শুনানি করতে এবং রায়ের দিন পেছাতে সময়ের আবেদন জানান আসামিপক্ষের আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। এ আবেদনের প্রেক্ষিতে রায়ের দিন আগামী ৫ এপ্রিল পুনর্নির্ধারণ করেন বিচারপতি মো. মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ। এ সময়ের মধ্যে আসামিপক্ষকে শুনানি শেষ করারও আদেশ দেন আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ৩ থেকে ৫ মার্চ পর্যন্ত শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। তবে আসামিপক্ষ শুনানিতে অংশ নেননি। গত ৪ মার্চ তারা সময়ের আবেদন জানালেও আদালত তা নামঞ্জুর করেন।

তিন দিনের রুল শুনানি শেষে গত ৫ মার্চ এর রায় দেওয়ার জন্য ১০ মার্চ দিন ধার‌্য করেছিলেন আদালত। তবে এর আগেই আসামিপক্ষের আবেদনে গত ৮ মার্চ রায়ের দিন পিছিয়ে ১৫ মার্চ পুনর্নির্ধারণ করা হয়।

এদিকে এ মামলার রুল শুনানির জন্য হাইকোর্টের বেঞ্চ বদলের আবেদন জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন গত ১১ মার্চ আদালত পরিবর্তন করে মামলাটি অন্য আদালতে বদলির জন্য হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন জানান।

ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন আবেদনে বলেছেন, তারা গত ৪ মার্চ রুলের ওপর শুনানি পেছানোর আবেদন জানালেও আদালত তাদের কথা শোনেননি। দুদকের আইনজীবীর শুনানি নিয়েই গত ৫ মার্চ আদেশের দিন ১০ মার্চ ধার্য করেছিলেন। পরে ৮ মার্চ আমাদের পক্ষে ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের আবেদনে রায়ের দিন পিছিয়ে ১৫ মার্চ ধার্য করা হয়েছে।

উলেখ্য, জরুরি অবস্থার সময়ে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা দায়ের করে। শাহবাগ থানায় মামলাটি করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. সামছুল আলম। মামলায় মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতি হয়ে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির অনুমোদন দিয়ে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়েছিল।

এতে চারদলীয় জোট সরকারের স্থানীয় সরকার, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী আবদুল মান্নান ভূঁইয়া (মরহুম), অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান (মরহুম), শিল্পমন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, তথ্যমন্ত্রী শামসুল ইসলাম, কৃষিমন্ত্রী এম কে আনোয়ার, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদসহ ১৬ জনকে আসামি করা হয়েছিল।

Facebook Comments
শেয়ার করুন