আচরণবিধি ভঙ্গ করলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত

0
25
Print Friendly, PDF & Email

ডেস্ক রিপোর্ট: তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কমিশনের বেধে দেওয়া ভোট চাওয়ার সময় শেষ হয়েছে রবিবার মধ্যরাতে। কিন্তু সোমবার এক অনুষ্ঠানে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাইলেন দলের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এ্যাডভোকেট সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। রাজধানীর ডিপ্লেমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থীদের পক্ষে ইলিশ ও টেবিল ঘড়ি মার্কায় ভোট চান তিনি। নৌকা সমর্থক গোষ্ঠী নামের একটি সংগঠন ওই সভার আয়োজন করে। সভায় উপস্থিত লোকদের উদ্দেশ্যে সুরঞ্জিত বলেন, ‘কালকেই তো নির্বাচন, আমরা ভোট দিতে যাব। কি আপনারা ভোট দিতে যাবেন তো, উত্তরে বা দক্ষিণে? কিসে ভোট দেবেন? এ সময় সবাই বলে ‘ইলিশ’। কেউ কেউ টেবিল ঘড়ি বলে সাড়া দেন। তখন তিনি বলেন, এখানে দেখি ঘড়ির ভোটার বেশী। ঘড়ি আর ইলিশ। ইলিশ মাছের চেয়ে তো কোন ভাল মাছ নেই।’ ভিক্ষার দরকার নাই, কুত্তা সামলান : সভায় খালেদা জিয়া প্রচারণা চালানোয় বিএনপি প্রার্থীর ভোট কমেছে দাবি করে সুরঞ্জিত বলেন, সিটি নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবেই হচ্ছিল, কিন্তু তিনি (খালেদা জিয়া) গিয়েই তা অশান্ত করেছেন। দুই দিন গিয়েই তিন দিনে যে কাণ্ড ঘটালেন, এখন তার প্রার্থীই বলে ভিক্ষার দরকার নাই কুত্তা সামলান। যে কারণে তাকে এবার চট্টগ্রামেও ডাকেনি। তিনি জিগাইছেন কি চাই, তো চট্টগ্রামের প্রার্থী বলেছেন ‘আমরা মাফ চাই।’ দয়া করে আপনি আইসেন না।

রাজনীতিতে খালেদা জিয়াকে মিথ্যাচারের প্রবর্তক বলে তার সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, তিনি (খালেদা জিয়া) বলেছেন, হরতাল আছে কিন্তু তা সক্রিয় নয়। তিনি যে অবরোধ ডেকে বাস মার্কার ক্যানভাসে গেলেন এটা বালখিল্য রাজনীতি। যা বাংলাদেশে তিনিই করেছেন। খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, তিনি স্থানীয় নির্বাচন করবেন কিন্তু জাতীয় নির্বাচন করবেন না। মানে হাত দিয়ে ভাত না খেয়ে কাটা চামচ দিয়ে খাবেন। সাবেক এই রেলমন্ত্রী বলেন, অতীতে ৫ সিটি নির্বাচনে পাঁচটাই বিএনপি জিতেছে। তখন আপনি জ্বালাও পোড়াও শুরু করেননি। এবারের নির্বাচনে আপনার নাশকতার রাজনীতির জবাব গণতান্ত্রিক মানুষ দেবে। সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা প্রসঙ্গে বলেন, ‘ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার আর্মির ছিল, এরশাদ দিয়েছিল। আমরা যখন আন্দোলন করে এরশাদকে ক্ষমতা থেকে নামাই, তখন খালেদা জিয়াও ছিলেন। তখন এই আইনটি বাতিল হয়ে যায়। তাই এটা দিবে কই থেকে। থাকলে তো দিবে।’ এ সময় ড. খন্দকার এমদাদুল হকের সভাপতিত্বে এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফয়েজউদ্দিন মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই কানু।

Facebook Comments
শেয়ার করুন