শ্রীপুর পৌরসভা জড়া জীন ঝুঁকিপূর্ন ভবনে চলছে কাজ কর্ম

333
Sreepur Pourosova

ষ্টাফ রিপোর্টার, জোনায়েত আকন্দ: বহু পুরনো জড়াজীর্ণ ঝুঁকিপূর্ন ভবনের অন্ধকারাচ্ছন্ন আঁটষাঁট কক্ষে চলছে কাজ কর্ম। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্রীপুর পৌরসভার ভবন ১৫ বছরেও নির্মিত হয়নি। নানা জটিলতায় অর্থ প্রাপ্তির পরও ঝুলে আছে ভবন নির্মানের কাজ। ঝুঁকিপূর্ন অবস্থায় চলছে প্রতিদিনের কর্মকান্ড। জানা যায়, ১৯৯৬ সালে আ’লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২৮ নভেম্বর ২০০০ তারিখে শ্রীপুর ইউনিয়নকে পৌরসভায় উন্নিত করা হয়। ৯৬.৯৭ বর্গ কি: এলাকা নিয়ে গঠিত হয় দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পৌরসভা। পৌর এলাকা দেড় লাখ মানুষের বসবাস হলেও বর্তমানে তা দু’লাখ ছাড়িয়ে গেছে। ইউনিয়ন পরিষদে বহু পুরাতন তিন কক্ষ বিশিষ্ট ভবনের অভ্যন্তরে হাডবোর্ড দিয়ে ছোট ছোট কক্ষ তৈরী করে জড়া জীর্ণ অন্ধকারাচ্ছন্ন কক্ষে চলে প্রতিদিনের কাজ। গ-শ্রেণীর পৌরসভাটি সকল শর্ত পূরণ করে ৭ বছরের মাথায় ১১ মার্চ ০৭ সনে খ-শ্রেণীর মর্যাদা লাভ করে। স্তর উন্নয়নের পর লোকবল বৃদ্ধি পেলেও বাড়েনি অবকাঠানোগত উন্নয়ন। নিত্য দিনের কাজ চালাতে তৈরি করা হয় ৫/৬টি টিনের একচালা কক্ষ ও একটি টিনের দু’তলা ভবন। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি আলহাজ্ব মো: জিল্লুর রহমান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী থাকাবস্থায় জেলা পরিষদ ডাকবাংলো সংলগ্ন ফাঁকা মাঠে পৌর ভবনের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন। আইনি জটিলতার কারণে ওই স্থানে নির্মিত হয়নি পৌর ভবন। ভবন নির্মান নিয়ে জেলা পরিষদ মামলায় জড়িয়ে পড়েন পৌসভার সাথে। মামলার জালে আটকা পড়ে ভবন নির্মানের কাজ। কাংক্ষিত জমি না থাকা বা খরিদ করতে না পারায় পৌর ভবন নির্মান দূরাশা হয়ে দাঁড়ায়। ফলে বহু পুরাতন ইউপি ভবনে অন্ধকার আঁটষাট কক্ষে ঝুকিপূর্ন অবস্থায় কাজ করতে হয় পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারীগনের। সম্প্রতি ওই ভবনের স্থানে স্থানে ছাদ ধসে পরায় আতঙ্ক রয়েছ পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারী। শ্রীপুর পৌর সচিব মনিরুজ্জামান সিকদার জানান, বিএমডিএফ থেকে অনুমোদিত ৬তলা ভবন নির্মান প্রক্রিয়াধিন আছে। পৌর মেয়র আলহাজ্ব মো: আনিছুর রহমান জানান, অন্যত্র ভাড়া করা ভবনে পৌরসভা কার্যালয় স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। পুরনো ভবন ভেঙ্গে দ্রুতই নতুন ভবন নির্মানের কাজ শুরু করা হবে।

Facebook Comments