অনিয়মই যেখানে নিয়ম সেভেন রিংস সিমেন্ট ফ্যাক্টরীর সর্বএ তোলপার

0
69
Print Friendly, PDF & Email
seven

বিশেষ প্রতিদেকঃ বিভিন্ন সূএের বরাত ও সেভেন রিংস সিমেন্ট ফ্যাক্টরীর কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে কথা বলে এবং নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তার লিখিত অভিযোগে ভিওিতে জানা যায়,যেখানে অনিয়মই যেনো নিয়ম কিছু ব্যক্তির কাছে। শিফটিং ডিউটি অফিসার ও শ্রমিকরা যখন কোম্পানীর কাছের খেয়াঘাট দিয়ে নদী পার হচ্ছিলো তখন জানা যায় বিভিন্ন তথ্য ও বিভিন্ন তথ্য ও মালিকপক্ষের কাছে জানতে চায় কিছু প্রশে্নর উওর ও যথাযথ সঠিক ব্যবস্থাগ্রহন প্রমানের ভিওিতে।

গত পাঁচ দিনের অনুসন্ধান রিপোর্ট এর ভিওিতে তুলে ধরা হলো কিছু ঘটনা। আরটিডির ডিজিএম আশরাফ আলীর ডান হাত বলে পরিচিত ছিলো সহকারী ম্যানেজার মনির। বিভিন্ন সময় বাজার করে দেয়া, তার গাড়ী নিয়ে দলানবাজার থেকে ১৫/২০ কেজি গরুর দুধ কিনে দেওয়া, বিদেশী ডায়বেটিকস ও শরীরের প্রেসার মাপার দামী মেশিন,দামি ফোম,সেভ করার রেজার সেট,টাটকা মাছ, গরুরগোশত সহ প্রায় প্রতি সপ্তাহেই কোন না কোন বাজার কিনে দেওয়া ছিলো ফ্যাক্টরীর সব লেভেলের মানুষের কাছে পুরোনো খবর।

এইভাবে সব ঠিকঠাক মতো চলতেছিলো, তখন ডিজিএম মনিরকে প্রায়ই অভয় দিতো যে, বস ঠিক তো আপনাকে কেউ কিছু করতে পারবেনা।বিভিন্ন সময় মোটা অংকের টাকা ধার চেয়েও ফেরত পায়নি আর মাসের মধ্যে ০৪/০৫ বার তো নির্দিষ্টহারে টাকা নিতেই থাকতো।

আশরাফ আলী এই ডিপার্টমেন্টে যোগদানের পর থেকেই জাহাংগীরকে নিয়োগের জন্য উঠে পরে লাগে। অনেকের আপওি থাকার পরেও একটা সময় মোটা অংকের বেতন দিয়ে এমডি স্যারকে বুঝিয়ে নিয়োগ দেন জাহাংগীরকে কারন জাহাংগীর তার নিকট আত্নীয়। এইভাবে চলতে থাকলে একটা সময়, মনির বিভিন্ন চাপে পড়ে আরটিডি ডিজিএম আশরাফ আলীকে এই ধরনের অবৈধ সহায়তা না দেয়ার ফন্দি করলে তিনি তা আচ করতে পেরে মনিরকে বুঝতে না দিয়ে তার স্থলাভিষিক্ত করেন তার আর এক আত্নীয় সাহাবুদ্দিন আর জাহাংগীরকে।

এ সময় মনিরের চিরশত্রু নিশাজ ও দেলোয়ারের সাথে আতাত করে সুকৌশলে ম্যানেজমেন্টকে উল্টাপাল্টা বুঝিয়ে মনিরকে প্রমোশন দিয়ে হেড অফিসে বদলি করে দেয়। মনিরের বদলির পর তার ঘনিষ্ট সহকারী ম্যানেজার সাগরকেও বদলি করা হয় খুলনা সিমেন্ট ফ্যাক্টরীতে। আর পুরো রাজত্ব পেয়ে যায় ওরা তিনজন।কিন্তু কিছু প্রশ্নের উওর আজো পায়নি ফ্যাক্টরী ও হেড অফিসের সর্বস্তরের অফিসার ও কর্মচারীরা।

ভিজিটিং কার্ডে গরমিলঃ কালিগন্জ প্রেসক্লাবের সাংবাদিকের দেয়া সাক্ষাৎকার এ, “ফ্যাক্টরীর উপদেষ্টা আজাদ বলেছেন, এটা এএকটি মিসটেক। আর এখন যে কার্ডগুলো আছে তা শেষ হলে, নতুন করে যখন আবার কার্ড এর আবেদন করবে তখন ঐ কার্ডে আর ডক্টর লিখবেনা” আর এডমিন দেলোয়ার বলেছে তিনি কার্ডে অনুমোদন দেয়নি, আর তিনি শোনা মাএ সমস্ত কার্ড জব্দ করেছেন।আর জিএম এইচআরডি তো ব্যস্ত ব্যস্ত বলে ০৩ দিনই ফোন রিসিভ করেনি কারন তিনি ফোন রিসিভ করে কি বলবেন??? তিনিই তো চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছেন। ভুয়া ডাক্তার আই এ পাস তা সবাই জানতো। তাহলে কার অনুমোদনে সেভেন সার্কেল এর মনোগ্রামে এই কার্ড ছাপানো হলো???? এডমিন দেলোয়ার এর স্বাক্ষর ছাড়া আর জিএম এইচআর এর স্বাক্ষর ছাড়া কি এই কার্ড ছাপানো যায়????? তাহেল কিভাবে কার্ড এর ফরমেট হেড অফিসে গেলো???? উপদেষ্টা আজাদ আর ফ্যাক্টরীর দেলোয়ার এর কথার মধ্যে যে গরমিল পাওয়া যায় তা স্পষ্ট। একজন বলেছেন কার্ড জব্দ করেছেন আর অন্যজন বলেছেন কার্ড ব্যবহার শেষ হলে নতুন ফরমেটে আর ডক্টর লিখবেনা।

জালিয়াতির ব্যাপারে কোম্পানির মালিক/এমডির দৃষ্টি আকষন করছি সাথে সাথে পুলিশ,র‍্যাব,ও সিভিল সার্জন ও কালিগন্জ থানা ও সন্মমানিত জনগনের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। মালিকপক্ষের কি ধারনা জেনে শুনে অনুমোদন দিয়াসে? এডমিন দেলোয়ার অনুমোদন দেয়নি এটা কি সত্যি বলছে???? দেলোয়ার মিথ্যা বলে থাকলে তার কি শাস্তি হবে? জিএমএইচআর কেনো সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেনি। জিএমএইচআর কি জানতোনা??? তাহলে জিএম কেনো জেনে শুনে অনুমোদন দিলেন? জিএমএইচআরডির কি বিচার হবেনা জিএম বলে????? নাকি কৃষ্ণ করলে লীলাখেলা??? মনিরের বদলির পর, ডিজিএম আরটিডির নির্দেশ অনুযায়ী লেখা,, (ভয়েস রের্কড আছে) মনিরের বদলির আবেদন পএ নান্টু বাবু বরাবর লিখেছিলো।

তারপর অফিসাররা তা আশরাফ আলীর কাছে জমা দেন যেনো তিনি তা নান্টু বাবুর কাছে পাঠায় {যদি কোনো মন্তব্য থাকে তাহলে তা লিখে}। আশরাফ আলি গা নান্টু বাবুর কাছে না পাঠিয়ে মেসেন্জার তৈয়ুবুরকে দিয়ে হেড অফিসে পাঠালো কেনো???? আরটিডির ১৮ জন অফিসারের মধ্য থেকে ১২ জন অফিসার ফ্যাক্টরীর মনিরকে বদলি না করার জন্য একটি দরখাস্ত ফ্যাক্টরীর সিটিও নান্টু বাবুর বরাবর লিখে ডিজিএম আরটিডির কাছে জমা দেন। যেনো ডিজিএম আরটিডি তা নান্টু বাবুর কাছে জমা দেন ( কোন মন্তব্য করে) মনিরের বদলির বিষয়টার ব্যাপারে। কিন্ত আশরাফ আলী দরখাস্ত লেখার নির্দেশ দিলো, তাহলে কেনো তিনি তা নান্টু বাবুকে না দিয়ে হেড অফিসে পাঠালো??? কিন্ত আশরাফ আলীর কিছুই হলোনা????? এ কেমন বিচার তা সবার মনেই ঘুরপাক খাচ্ছে আর যতদিন ঐ অফিসারগুলো বেচে থাকবে তার এই গুটি কোনদিন ভুলবেনা।

বিচার কি হবেনা তিনি ডিজিএম বলে???? দরখাস্ত হেড অফিসে পৌছার পর, জিএমএইচআরডি ক্ষিপ্ত হয়ে সিও কে উল্টা পাল্টা বুঝিয়ে আবেদনকারী ১২ জনকেই শোকজ লেটার ইস্যু করে তা প্রত্যেক আবেদনকারীর কাছে পৌছায়। আর তখন ডিজিএৃম আরটিডি বলে তিনি কিছুই জানেনা উল্টো আবেদনকারিদের ধমকাতে থাকে, আর চাকুরী খাওয়ার ভয় দেখায়।

সবার মুখে একই কথা
(ক) ডিজিএম আরটিডি মনিরের বদলির দরখাস্ত লেখার অনুমতি দিলো বিচার হলোনা কিন্ত কেনো
(খ) ভিজিটিং কার্ড জালিয়াতিকারী আজাদ কোন অদৃশ্য ছায়ার শক্তিতে এখনো বুক ফুলিয়ে দাপট দেখায়
(গ) এডমিন দেলোয়ার নাকি অনুমোদন দেয়নি তাহলে কিভাবে কার্ড হেড অফিসে গেলো? তিনি অনুমোদন দেয়নি বলেছে তা মিথ্যা প্রমানিত হলে তার কি শাস্তি হবে? আর অনুমোদন দিলে কি শাস্তি হবে?
(ঘ) জিএম এইচআরডি কেনো সাংবাদিকদের সাথে ফোনে কথা বলেনি???? তিনিই কিভাবে অনুমোদন দিলেন???? তিনি জিএম বলে কি শাস্তি হবেনা???? তাহলে কি জেনে শুনেই এই জালিয়াতির অনুমোদন দিয়েছিলো??? কিন্ত কেনো?? কিসের লোভে???

ফ্যাক্টরী আর হেড অফিসের সবার দৃষ্টি এখন তদন্ত সাপেক্ষে কতটা ন্যায় বিচার করেন আমাদের মালিকপক্ষ?? নাকি এই অনিয়ম হবে নিয়ম বড় কর্তাদের ক্ষেএে? আর ছোট অফিসারদের ক্ষেএে তা হবে বিপরীত। আমরা সেই অপেক্ষায়ই রইলাম।

Facebook Comments