সাহাবুদ্দিন আর ময়েজউদ্দিন হত্যার আসামি আজম খানের চামচা শিবির নেতা কালা কাইয়ুম বেপোরোয়া।

12

বিভিন্ন সূএের বরাত ও বেশ কিছু শ্রমিক,কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানা যায়, বেশ বেপোরোয়া হয়ে উঠছে সাহাবুদ্দিন। কোন জায়গায় কোন কোন ড্রাইভারকে কোন ট্রিপ দিতে হবে তার নির্দেশনা নিয়েই ট্রিপ করতে হচ্ছে অন্যান্য অফিসারদেরকে। সাথে তাল দিচ্ছে জাতীয় পার্টির এক নেতা,আজম খানের উওরসূরী বর্তমানে উগ্র জংগীপন্থী শিবিরের গডফাদার হিসেবে কালিগন্জে পরিচিত আব্দুল কাইয়ুম ওরফে কালা মানিক। এই কালা মানিক এর বস আজম খান শহীদ ময়েজউদ্দিন হত্যা মামলারি আসামি হয়েও কোম্পানির মালিক পকে্ষর একজনের সাথে আজমখানের সু-সর্ম্পক থাকার সুবাদে প্রভাব খাটাচ্ছেন সেভেন রিংস সিমেন্ট ফ্যাক্টরীর আরটিডি বিভাগে। আজম খানের প্রজেক্টে যেদিন হামলা হয়েছিলো তারপরদিন থেকেই কালিগন্জ থানা সেচ্ছাসেবক লীগ এর সাধারণ সম্পাদক ও থানা আওয়ামিলীগের সহ-দপ্তর সম্পাদক আসাদুজ্জামান বরুন এর বড় ভাই মনিরের পিছু লাগে কালা। বরুন এর ভাই হওয়া কারনে এই কালা মানিক কাইয়ুম অত্যন্ত সুকৌশলে আশরাফ আলির সাথে মনিরকে সরানোর গুটিবাজিতে মেতে উঠে। কারন তার বস এর প্রজেক্টে হামলার প্রতিশোধ নেবার নেশায় নীরব ঘাতকের ভুমিকায় অবর্তীন হয়। অবশেষে সফল হয়।

কারন আশরাফ আলী কাইয়ুম আর সাহাবুদ্দিনকে তাদের প্রমোশন নিশ্চিত করেছে।আর বলেছে যত নিউজ হবে ততো ম্যানেজম্যান্ট আপনাদের প্রমোশন দিবে। যেসব অভিযোগ মনির/সাগর এর নামে উঠেছিলো এখন তার চাইতেও বেশি অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে সাহাবুদ্দিন,আশরাফ আলী,আর জাহাংগীর এর বিরুদ্ধে। মনিরের কাছের ড্রাইভারগুলো এখন সাহাবুদ্দিন এর লোক। বাল্ক এর টাকা কালেকশন করে খলিল,সাইফুল।আর ব্যাগের জন্য আছে, ২১৮৫ রবিউল ও তার ভাই সবুজ,জিবলু,২৬৩৪ মমিন,২৬৩৩, ২২২৩,এর ড্রাইভার এইরকম ভাবে আরো কয়েকজনকে দায়িত্ব দেয়া হয় টাকা কালেকশনের জন্য।কারন প্রতিটা ড্রাইভারের কাছ থেকে আলাদাভাবে আর টাকা চেয়ে নেয়না সাহাবুদ্দিন। যতদুর শোনা গেছে বুদ্ধিটা এসেছে ডিজিএম আরটটিডির কাছ থেকে যেনো বিশ্বস্ত কয়েকটা ড্রাইভারকে দিয়ে (নিজে ফেইস না হয়ে) বেতন দেয়ার সময় টাকা কালেকশন করতে,আর ভালো ট্রিপ দেওয়ার সময় (লং ট্রিপ)। আর আব্দুল কাইয়ুমকে একদিন পর পর শুক্কুরের অথবা সেবা হোটেলে নিয়ে যায় খাওয়া জন্য। মাঝে মধ্যে কাইয়ুমের বাসায়ও বিভিন্ন গিফট নিয়ে যায় কাইয়ুমের বউ,বাচ্চাদের জন্য। আর তাতেই খুশি কাইয়ুম।আবার মাঝে মধ্যে টাকা ধার নেয় কিন্ত ফেরত দিয়ে দেয়। জাহাংগীর নিয়োগে সবারই সরাসরি বিরোধিতা ছিল এমনকি হেড অফিসের শাহরিয়ারসহ (msd কেউ চায়নি)। অনুসন্দানে যতটা জানা যায় সে খুবই লেজি আর নোংরা যাকে বলে অপদার্থ কিসিমের লোক। জাহাংগীর নিয়োগের পূর্বে মনির সাহেব কিছুটা বিব্রতকর হলেও শেষ পযর্ন্ত মোটা অংকের একটা টাকা লেনদেনের মাধ্যমে ডিজিএম মনিরকে ম্যানেজ করে। বড় অংশের টাকাটা আগেই অবশ্য ডিজিএম নিয়েছিলো জাহাংগীরের কাছ থেকে। সর্বদাই ড্রাইভারদের বলে বেড়ায় দেখেছিস আমরা কি পারি আর না পারি? আরো দেখবি,তা না হলে বুঝবি কত ধানে কতো চাল? অার তাই তার প্রমোশন হচ্ছে এই খবর নিশ্চিত জেনে (আশরাফ আলী নাকি নিশ্চিত করেছে) ভয়ংকর হয়ে উঠেছে সাহাবুদ্দিন।বিভিন্ন সোর্স নিয়োগ করে ডিজিএম এর কথায় দাড়ি রেখে ড্রাইভারদের মসজিদে নিয়ে কিরা,কসম কাটায় যেনো লেনদেনের বিষয়গুলো কোনদিন কাউকে না বলে। আর সারাদিন মসজিদের ইমামের পিছনে ঘুড়ে। নিরীহ ও অসহায় ড্রাইভারা যারা দীর্ঘদিন যাবৎ এখানে চাকুরী করছে, তারা জানায়, আপনারা গত ০৭ মাসের ট্রিপগুলো চেক করে দেখেন যে, কে কতটা ভালে ট্রিপ পেয়েছে। কম্পিটার চেক করে একবার অডিট করেন সব বেরিয়ে আসবে। আমরা কোন অভিযোগ নিয়ে জাহাংগীর আর আশরাফ আলীর কাছে গেলেই বলে, সাহাবুদ্দিন এর কাছে যাও। সবাই যেভাবে ম্যানেজ করে চলে তোমরা ওইভাবে চলতে পারোনা??? আরো বলে ওইসব সাংবাদিকদের কাছে তথ্য দেও বেটারা? পারসে তোদের মনির সাব নিউজ করে একটা লোকের কিছু করতে বরং আমাদের চাকুরিটা আরো শক্ত হইছে। তোমাগো বাবাগো বেশি বেশি বলো, আমাদের সমস্যা নাই বরং লাভই হবে। আমি এইখানকার অভিভাবক। আমি যা বলবো তাই হবে। যা,, বেটা,সাহাবুদ্দিন এর কাছে যা আর সে যা বলে তা কর। তা না হলে চাকুরী যাবে।আমরা যদি গাড়ি স্কেল করার জন্য মাঝে মধ্যে তমাল স্যার এর রুমে যাই তাহলেও অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে, আর বলে কয়টাদিন পরে দেখিস তমালকে কোথায় পাঠাই। ভিজিটিং কার্ড নিয়ে ধরা পরার পরেও কিছু না হওয়া, আশরাফ আলী মনিরকে বদলির আবেদন লেখার জন্য বলার পর পল্টি নেওয়ার পরেও যখন কিছু হয়না তখন বুঝনা? আমরা কতটা পাওয়ারফুল? এমন জ্বলন্ত প্রমাণ পাওয়ার পরেও যখন মালিকগন কোন ব্যবস্থা নেয়না, তখন চুপিচুপি টাকা নেয়া মাসিকহারে,ভালো ট্রিপ দিয়ে ফিক্সড কিছু ড্রাইভারের কাছ থেকে টাকা নেওয়া, এতো সংবাদ প্রকাশের পরেও কম্পিটার এ ট্রিপ বিতরনের অনিয়ম চেক না করা ইত্যাদি কোন কিছুর প্রতি মালিকদের নজর না দেওয়ায় ভয়ংকর রুপ ধারন ও বিরুপ প্রতিক্রিয়া ড্রাইভার/হেলপারদের ভিতরে ভিতরে কাজ করছে। আর যেকোনো মুহুর্তে তার বিস্ফোরন ঘটতে পারে বলে আশন্কা প্রকাশ করছে বেশিরভাগ পুরাতন শ্রমিক,কর্মচারী। পুরাতন অনেক অফিসাররা আশন্কা করছে শামিম-ফয়সাল থাকার সময় যেমন ফয়সালের বিরুদ্ধে মিছিল,ভাংচুর হয়েছে ও শামিম ফয়সাল চাকুরিচ্যুত হয়েছিলো, না জানি কখন আবার সেই পরিস্থিতি ধারণ করে কখন? আর তা হলে কোম্পানির ইমেজ নষ্ট হবে আর লাভবান হবেন পর্দার আড়ালে থাকা কয়েকজন। তাই অনতিবিল্মবে এই অভিযোগগুলো অডিট,এডমিন এর ভালো লোকের মাধ্যমে তদন্ত করে দ্রুত একটা পরিবর্তনের আশা করছেন ফ্যাক্টরীর ভিতরে বাহিরের সবাই। বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও সারদেশে এই খবর ছড়িয়ে পরার আগেই যেনো ব্যবস্থা নেয়া হয় কারন, এই কোম্পানিতে যারা কাজ করে তাদের অনেকের রুজি,রুজগার এর ঠিকানা এই সেভেন রিংস সিমেন্ট ফ্যাক্টরী যেখানে গুটি পাঁচেক লোকের স্বার্থের জিম্মি নয় পুরো চাকুরিজীবিরা। অন্যায় যেই করুক,আর যিনি অথবা যারাই অন্যায়টাকে দেখিয়ে দিচ্ছে আর প্রকাশ করছে তাদের দিকে আংগুল না তুলে যেটা সত্যি তার বিরুদ্দে ব্যবস্থা না নিলে কোম্পানির প্রতি কাস্টমারের শ্রদ্ধাবোধ থাকবেনা যার প্রভাব পড়বে অদূর ভবিষৎ এ।

Facebook Comments