৩ গাড়িতে আগুন শ্রমিকদের অসন্তোষ ও বিক্ষোভে উওাল সেভেন রিংস সিমেন্ট মামলা দায়ের।

14

কালিগন্জের মূলগাও এ অবস্থিত সেভেন রিংস সিমেন্ট ফ্যাক্টরীর ভিতরে কোম্পানির একজন শ্রমিক নিজেই গাড়িতে আগুন দিয়াসে বলে জানা গেছে। কতিপয় কর্মকর্তার দূর্নিতী ও হুমকি,গুটিচাল,টরচার সেলে নিয়ে নির্যাতন,প্রতি সপ্তাহে মাসোহারা দেয়া, চাকুরী নিতে গিয়ে ঘুষ দেয়া ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে বেপোরোয়া হয়ে উঠেছে ফ্যাক্টরীর ৯৮% শ্রমিক ও কর্মকর্তা। তারই রেশ ধরে ধৈযের বাধ ভেংগে যাওয়ায় গত সপ্তাহে ফ্যাক্টরীর ভিতরে তিনটি গাড়িতে আগুন ও ফ্যাক্টরীর দেয়ালে দেয়ালে পোষ্টার লাগানো ও লিফলেট বিতরনে বাধ্য হয়েছে তারা। জানা যায় ফ্যাক্টরীর ডিজিএম (আরটিডি) আশরাফ আলী, সাহাবুদ্দিন,জাহাংগীর,কাইয়ুম কে সাপ্তাহিক হারে টাকা দিতে হয় সকল ড্রাইভার হেলপারকে। আর কেউ যদি টাকা দিতে লরবর করে তাহলে তাদেরকে ০৪/০৫ জায়গায় ট্রিপ দেয়া হয়। আর কিছু নির্দিষ্ট ড্রাইভার আছে যাদের নিয়মিত লং ট্রিপ দিচ্ছে যার প্রমান মিলেছে কোম্পানির ম্যানেজম্যান্ট এর কাছে। আর এইসব কারনে সম্প্রতি ডিজিএম আশরাফ আলীকে তার কক্ষ পরিবর্তন করে তাকে দোতলার কনফারেন্স রুমে বসানো হয়েছে। আর ০৫.০১.২০১৬ তারিখে নতুন একজন জিএম যোগদান করেছে ট্রান্সপোর্ট বিভাগে যিনি পুরো বিভাগের বস হিসেবে কাজ করবেন। আর আশরাফ আলীকে যেই আলীশান রুম থেকে বাহির করে একটা চিপায় বসানো হয়েছে, নতুন জিএম আসবে বলেই নাকি দূর্নিতীবাজ আশরাফ কে আলীসান রুম থেকে বের করা হয় কারন ঐ আলীশান রুমে এখন অফিস করছে নতুন জিএম। শোনা গেছে, কিছুদিন পর ভন্ড আশরাফকে ওয়ার্কশপ এর দায়িত্ব দেয়া হবে যাকে এক প্রকার সাইজ করাই বলে,শোনা যাচ্ছে মালিকপক্ষ চায় আশরাফ যেনো সেচ্ছায় পূর্বের ব্যক্তিত্ববান এজিএম রাসেল এর মতো সেচ্ছায় চলে যায়, কিন্ত অনেক ড্রাইভার কিছুটা কৌতুক ও হাসির সুরে বলেছে যে, মালিকপক্ষ যদি কোন ড্রাইভার ও হেলপারকেও আশরাফ আলীর বস্ হিসেবে নিয়োগ দেয় তাহলেও নাকি আশরাফ আলী আর তার দুই ভাতিজা কানপচা জাহাংগীর ও ভন্ড সাধু সাহাবুদ্দিন চাকরী ছেড়ে যাবেনা যতদিন না মালিক তাদের বের করে দেয়। ভূয়া আই এ পাস আজাদের ঘটনা— আবুল কালাম আজাদ নামের একজন ইন্টারমিডিয়েট পাস লোক তার নিজের ভিজিটিং কার্ডে ডক্টর ও ফিজিশিয়ান লিখে ও ফ্যাক্টরির ক্যান্টিন থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে (১)-নারায়নগন্জে ০৯ লক্ষ টাকায় ১১ শতাংশ জমি কিনে ০৫ তলা বাড়ী তৈরি, (২)- কুমিল্লাহ ইবনে সিনা হাসপাতালের তিন অংশীদারের একজন আজাদ (৩)– কিছুদিন পূর্বে ১৩ লাখ টাকা খরচ করে নিজের বউ এর চিকিৎসা,(৪)–ঘোড়াশালে আলীশান ফ্ল্যাটে বসবাস, (৫)—কোম্পানীর ঔষধ বিক্রি করা ইত্যাদি অপর্কম বিভিন্ন পএ পএিকায় প্রকাশ হওয়ার পরেও অদৃশ্য কারনে বেচে যায় এই ভূয়া ডাক্তার আজাদ। সবচাইতে অবাক করা ও বিস্ময়ের ব্যাপার হলো এই যে, ডিজিএম এডমিন ও জিএম এইচ আর যখন বল্লো এইটা একটা মিসটেক তখন আরো ফুলে ফেপে উঠে সকলে। কারন একটাই আর তা হলো- তিনি মানে ভুয়া আজাদ {টেলিফোনে} **নতুন বার্তা সম্পাদক পএিকার সাংবাদিক {ইউসুফ} এর সাথে যখন কথা বলে তখন ভূয়া আজাদ বলেছে, (প্লিজ কোড)—সবাই কার্ড জালিয়াতি করে তাই আমিও করেছি,তাতে কি হইছে? আর সবাইকে জানিয়ে ভিজিটিং কার্ড এর ফরমেটে ডিজিএম এডমিন-দেলোয়ার ও জিএম এইচ আর এর সই নিয়ে ভিজিটিং কার্ড এর ফরমেটে জমা দিয়েছি।আপনি তাদের জিগ্গেস করেন,কেনো আমার ভিজিটিং কার্ড এর ফরমেটে স্বাক্ষর দিয়াসে? ফ্যাক্টরির সবার মনে একটাই প্রশ্ন আমাদের মালিক এতো ভালো মানুষ অথচ কেনো তাকে ছেড়ে দিলো? ছেড়ে দিতো যদি মিসটেকেনলি হতো কিন্তু, ভূয়া আজাদ যে বল্লো, সবাই করে, তাই সে করেছে,আর সবাইকে জানিয়ে সাইন নিয়ে করেছি। তাহলে সে কিভাবে এখনো চাকুরী করে?তাহলে কি ডিজিএম এডমিন দেলোয়ার আর জিএম এইচআরডি ফেসে যাবে এই জন্য?তাকে বাচানো হয়েছে যে যদি তিন জনের চাকুরী যায়?? আর এই সকল গুটি চালের মুলে হচ্ছে ফ্যাক্টরীর নান্টু বাবু (সিটিও) যিনি নাকি ধরি মাছ না ছুই পানি,অথচ তার ব্যক্তিগত রোষানলে পড়ে আশরাফ আলী আসার পূর্বে চাকুরী হারিয়েছ ট্রান্সপোর্ট এর এজিএম রাসেল,ও নিরপরাধ মুরাদ। এক মহিলা বৃদ্ধা ঝাড়ুদার তাকে আদাব দেয়নি বলে ঐ দিনই তাকে চাকুরীহীন করা হয়। এটা ককি মানবতা? আল্লাহর আআরস কি কেপে উঠবেনা?সকল গুটির মুলে এই নান্টু। সর্বসাধারণ ও ফ্যাক্টরীর লোকজনের একটাই দাবী, আমাদের পেটে যেনো লাথি না পড়ে কতিপয় লোকের জন্য। আমরা চাইনা তাদের চাকুরী চলে যাক কিন্ত তাকেরকে ফ্যাক্টরী থেকে সরিয়ে বদলি করুন তা না হলে ডিজিএম আশরাফ আলীর বিরুদ্ধে যেমন আন্দোলন হয়েছিলো,মিছিল হয়েছিলো, মারতে গিয়েছিলো সকলে,ঐ রকম পরিস্থিতি যেনো সৃষ্টি না হয়, কোম্পানীর ভাবমূর্তি যেনো নষ্ট না হয়। বিতরন করা লিফলেটের কথা যেনো সত্যি না হয়। আপনারা আমাদের রিজিকের জায়গাটাকে বাচান, নান্টু,কাইয়ুম,ডিজিএম আশরাফ,সাহাবুদ্দিন,কানপচা ওরফে অলস জাহাংগীর,নিয়াজ,ভুয়া ডাক্তারআজাদ,দেলোয়ার,এইচআর জিএম (যাকে ডিমোশন দিয়েছেন,জিএম এইচ আর এডমিন থেকে এখন শুধু জিএম এইচ আর বানিয়েছেন তাদের পেটে লাথি না দিয়ে আরমি পারসন অথবা সৎ কিছু অফিসার নিয়োগ দিয়ে এই রক্তপাত হওয়ার সম্ভাবনা থেকে আমাদের বাচান।অবিলম্বে দূর্নিতীবাজ নিয়াজ, ডিজিএম এডমিন,ডিজিএম আরটিডির ভাতিজা জাহাংগীর ও সাহাবুদ্দিন, ভুয়া আজাদ,কাইয়ুম, গুটিবাজ এডমিন ডিজিএম দেলায়ার গংদের এই সিন্ডিকেট কে চাকুরীহীন কিংবা বদলী করার জোর দাবী এখন সর্বএজুড়ে।কি অপরাধ ছিলো সাবেক এজিএম (আরটিডি) রাসেল সাহেবের? কি অপরাধ ছিলো আরটিডির সাবেক অফিসার মুরাদের? কোন অপরাধই ছিলনা। তাদের মত সৎ,পরিশ্রমী,সাহসী,অফিসাররা নান্টু সিন্ডিকেটদের নম নম করতো না বলেই তাদেরকে বিনা দোষে অপমান করে চাকুরীহীন করা হয়। আর এসবই ছিলো ঐ সিন্ডিকেটের গুটির চাল। তাই সকলের দাবী একটাই আমরা চাকুরী করে বাচতে চাই,কোম্পানিকে বাচাতে চাই।কেনো গুটি ০৬/০৭ জনের কাছে জিম্মি থাকবে এই স্বনামধন্য কোম্পানি?বিচারের ভার আপনাদের কাছে দিলাম। কারন আপনারাই মালিক।এ ব্যাপারে ফ্যাক্টরীর পরিচালক আজাদ সাহেব বলেন, শ্রমিক অসন্তোষ এর কারনেই আশরাফ আলীকে বদলী করা হয় আর ফ্যাক্টরী এখন নিয়ন্ত্রনে। কিন্তু সবাই চাচ্ছে দ্রুত আশরাফ আলীর বিদায় কারন সে যতদিন থাকবে, নুয়াজ যতদিন থাকবে ততোদিন কোনভাবেই ফ্যাক্টরী শান্ত হবেনা। আশরাফ আলী যোগদানের কিছুদিন পর যেমন সবাই তাকে মারতে উদ্যত হয়েছিলো,গেটের বাহিরে,ভিতরে মিছিল হয়েছিলো,ভাংচুর হয়েছিলো তেমন পরিবেশ যেনো সৃষ্টি না হয় এটাই সবার কাম্য। এই আশরাফ আলী ফ্রেশ সিমেন্টের রের্কড দেখুন,জানুন,সবই বুঝতে পারবেন।ফ্যাক্টরীর জহির সাহেবের আপন খালাতো ভাই আশরাফ আলী। জহির সাহের সাথে নান্টু বাবুর বেশ খাতির আর সেই সুবাদে জেনে শুনেও কিভাবে আশরাফ আলীকে নিয়োগ দিলো তা কারো কাছে বোধগম্য নয়। আল্লাহতালার আরস কাপার মতো ঘটনা ঘটিয়ে এজিএম রাসেল ও মুরাদকে গুটি করে বের করে দেয় এই সিন্ডিকেট।সর্বসাধারনের সাথে কথা বলার আলোকে জানা যায় এইসব ভয়ংকর তথ্য যা কেম্পানির জন্য ক্ষতিকর।সেভেন রিংস কোম্পানির ১৪২২ গাড়ি জামালপুর এর বাগমারপারা এলাকায় একজন প্রাণের শ্রমিককে সজোরে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই মারা যায় কামাল। আর কোম্পানি মিমাংডায় না আসায় কালুগন্জ থানার এসআই মনির বাদী হয়ে কোম্পানির নামে মামলা করে।আর অন্য মামলাটি হয় একটি ড্রাইভারের বিরুদ্ধে, যে কিনা অত্যাচার সইতে না পেরে নিজেই ফ্যাক্টরীর ভিতরে ০৩ টি গাড়িতে আগুন দিয়ে নিজেই স্বীকারোক্তি দিয়ে বলে তার কষ্টের কথা যে, কেনো আগুন দিয়েছে এই ড্রাইভার।দেয়ালে দেয়ালে পোষ্টার আর লিফলেট এ ছেয়ে গেছে পুরো এলাকা উল্লেখিত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

Facebook Comments