অপ্রতিরোধ্য নিয়াজ, আশরাফ নিয়াজের পতনে চরম উওেজনা ফ্যকটরী জুড়ে। সাহাবুদ্দিন,জাহাংগীর,কালা মানিক লবিং এ ব্যস্ত চাকুরী বাচাতে

12

সেভেন রিংস সিমেন্ট ফ্যাক্টরীর একটি গাড়ি জামালপুরের বাগমারপারার এক ছেলেকে সজোরে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই নিহত হয় কামাল। আর এই ঘটনায় আপোষ মিমাংসার করার ব্যাপারে উদ্যোগ নেয়ার ব্যবস্থা করা হলেও নিয়াজ আর আশরাফ এর গুটিচালে ভেস্তে যায় আপোষনামা। কারন প্রতিটি দূর্ঘটনা থেকেই পারসেনটেস পেতো নিয়াজ। আর এই বিষয়ে সুবিধা করতে না পারায় আপোষ নামায় প্যাচ লাগায় নিয়াজ আর আশরাফ। অগ্যতা কালিগন্জ থানা কতৃর্পক্ষ এস আই মনির বাদী হয়ে মামলা করে সেভেন রিংস কোম্পানির বিরুদ্ধে। নিয়াজ জামালপুরের দুএকজন নেতাকে দিয়ে ভয় দেখায় মৃত কামাল এর ভাইকে। যেই কারনে, মৃত ব্যক্তির ভাই মামলা করতে অস্বীকার করে। পুলিশ যখন দেখলো কোম্পানির নিয়াজ আপোষনামার ব্যাপারে গড়িমাসি করছে তখন পুলিশ মানবিক দিক বিবেচনা করে নিজেই মামলা দায়ের করে।
অতি ভয়ংকর,ঘুষখোর, অত্যাচারী নিয়াজের অপকর্ম জানেনা ফ্যাক্টরীর ও ফ্যাক্টরীর বাহিরে এমন একজন লোককেও পাওয়া যাবেনা এটা নিশ্চিত। ব্যাগ প্ল্যান্ট,সিমেন্ট প্ল্যান্ট,আরটিডি,হসপ­িটাল সব জায়গায়ই রয়েছে নিয়াজের নিয়োগের বিনিময়ে রমরমা ব্যবসা। এ যেনো কল্পনার কাহিনীকেও হার মানায়। আরটিডি সাবেক অফিসার মনির এর সাথে ছিলো তার কঠিন এক অবৈধ সম্পর্ক। নিয়াজের সাথে মনিরের অবৈধ লেনদেনের অডিও রেকর্ড ও আছে অসংখ্য। মাস শেষ না হতেই *মুন্না* নামের পিয়নকে দিয়ে টাকা আদান-প্রদান করতো নিয়াজ, আবার কখনো সরাসরি টাকা নিয়ে যেতো। জার্মানি থেকে মোবাইল ফোন,ইন্ডিয়া থেকে ফোম,লোশন,চকোলেট তো দেয়াটা ছিলো নিত্য নৈম্যত্যিক ব্যাপার। আর এখন সাগর আর মনিরকে আউট করে ধুমসে টাকা কামাচ্ছে মানুষরূপী ^জানোয়ার নিয়াজ^ এমন কথাই ভেসে উঠে সকলের কন্ঠে। সম্প্রতি আরটিডির নতুন জিএম নিয়োগ করায় ও আশরাফ আলীকে সাইজ করায় ড্রাইভার, হেলপাররা নিজস্ব আয়োজনে মিষ্টি বিতরন করে ও মিলাদ পড়ায়। নতুন জিএম এর কেরামবোর্ড, দাবা দেয়ায় ড্রাইভাররা খুব খুশি।তারা আশাবাদী ভালো কিছুর। কিন্ত সবার সাথে কথা বলে জানা যায় যতদিন আশরাফ আলী,নিয়াজ,জাহাংগীর, কাইয়ুম ওরফে কালা মানিক (যে কিনা জাতীয় পার্টি ও জামাতে ইসলাম এর সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য ফ্যাক্টরীর ভিতরে তরুন প্রজন্মকে টাকার লোভ দেখিয়ে একটা বাহিনী তৈরি করার চেষ্টায় লিপ্ত),ভূয়া আজাদ নানা ধরনের গুটিচালে ব্যস্ত সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত জিএমকে বেকায়দয় ফেলানোর জন্য।কারন তারা যতদিন এখানে থাকবে ততদিন নতুন জিএমকে শান্তিতে থাকতে দিবেনা এমন আভাসই পাওয়া গেছে শ্রমিক কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে।তাই তাদের বদলি কিংবা চাকুরীহীন করার দাবী সর্বএ জুড়ে।
আরটিডির প্রতিভাবান অফিসার, শাহীন,রফিক,ইফতেখার,জ­াকারিয়া, সনজীব সহ বেশ কিছু অফিসার আছে যারা এই ডিপার্টমেন্ট চালানোর যথেষ্ট যোগ্যতা রাখে। কিন্তু তাদেরকে দূরে রেখে অভিযুক্ত সাহাবুদ্দিন আর কাইয়ুমেই প্রমোশন দিয়েছিলো আশরাফ আলী। অথচ গত বছরই প্রমোশন পেয়েছিলো কাইয়ুম। বছর না যেতেই আবার প্রমোশন কিসের ঈংগিত বহন করে তা সবারই জানা। ড্রাইভারদের একটাই চ্যালেন্জ,,, বারবার তাদের কথায় উঠে আসে,,, আর তা হলো যতদিন না তাদের বদলি অথবা চাকুরীহীন না করবেন ততদিন কোনভাবেই শানি্ত পাবেনা নতুন জিএম শান্ত হবেনা আরটিডি ও পুরো ফ্যাক্টরী।
সম্প্রতি ২১৮৫ ড্রাইভার রবিউল এর সাথে ট্রিপ নিয়ে কথা কাটাকাটি হলে,সাহাবুদ্দিন বাহির থেকে কয়েকজন সন্ত্রাসী ও ০২ ড্রাইভার এনে রবিউল ড্রাইভারকে জানে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আর এইসব ভাড়াটিয়া ও ০২ জন লোকাল ড্রাইভারকে তার অবৈধ টাকা আয়ের কিছু অংশ দিয়ে তদের হাতে রাখে।
সম্প্রতি ড্রাইভার খলিল খুলনায় ট্রান্সফার হওয়ায়,খলিলের বাল্ক কেরিয়ার গাড়টি (২৬৬৩ ব্যাগ সিমেন্ট এর গাড়ীর) ড্রাইভার খোকনকে ৭৪০০ টাকার বিনিময়ে দেয়া হয় যা নিয়াজ,জাহাংগীর,সাহাব­ুদ্দিন মাঝে ভাগাভাগি হয় কালিগন্জের সেবা হোটেলে।
সকলের একটাই দাবী অবিলম্বে আপাতত নিয়াজ,সাহাবুদ্দিন,আশ­রাফ ও জাহাংগীরকে এই ফ্যাক্টরী থেকে বদলী করা হউক।
হয়তো আপনারা এখন আমাদের কথা বিশ্বাস করছেন না, কিন্তু যখন অঘটন ঘটবে তখন আমাদের পেটে লাথি পড়বে। আর কোম্পানী ক্ষতিগ্রস্থ হবে ও অন্যান্য কোম্পানী ফায়দা লুটবে। আশরাফ আলী নতুন জিএম আসার পর ও তাকে তার রুম থেকে অন্য রুমে দেয়ায় সে অন্যান্য সিমেন্ট ফ্যাক্টরীতে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এই জন্য যে, তার এই অপমানের জন্য অন্যান্য সিমেন্ট কোম্পানির সাথে লিয়াজো করে কিভাবে সেভেন রিংস ধ্বংস করা যায়!!! তাদের সকল অফিসিয়াল ও পারসোনাল নম্বর এর ভয়েস রেকর্ড নিলেই সব জানতে পারবেন।
বিষয়টি ভেবে দেখার জন্য চেয়াম্যান স্যার,সুও স্যার,এমডি স্যার,ভাইস চেয়ারম্যান স্যারের প্রতি আকুল আবেন জানিয়েন সকল কর্মকর্তা

 

 

Facebook Comments