‘হত্যাচেষ্টা’র প্রমাণ আছে শফিক রেহমানের বিরুদ্ধে

0
16
Print Friendly, PDF & Email
inu politics iqr 1 10194

বিশিষ্ট সাংবাদিক শফিক রেহমানকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সরকারের দুই প্রভাবশালী মন্ত্রী।

রোববার পৃথকভাবে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু সাংবাদিকদের কাছে একথা জানান।

উল্লেখ্য, গতকাল শনিবার সকালে ইস্কাটনের নিজ বাসা থেকে সাংবাদিক পরিচয়ে সাংবাদিক শফিক রেহমানকে নিয়ে যায় ডিবি।

পরে তাকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একমাত্র ছেলে ও তার তথ্য-প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ এবং হত্যা চেষ্টা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

২০১৫ সালের আগস্টে পল্টন থানায় মামলাটি দায়ের করেছিল গোয়েন্দা পুলিশ। পরে পুলিশ আদালতে হাজির করে রিমান্ড চাইলে বিচারক শফিক রেহমানের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রোববার বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে জেলা রেজিস্টারদের প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন শেষে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের কাছে শফিক রেহমানের গ্রেফতারের বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চান।

উত্তরে তিনি বলেন, ‘সাংবাদিক শফিক রেহমানকে সুনিদিষ্ট অভিযোগে করা একটি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘এটা এখন তদন্তাধীন বিষয়। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে তিনি শাস্তি পাবেন। আর নির্দোষ প্রমাণিত হলে শফিক রেহমান মুক্তি পাবেন।’

এদিকে, রোববার সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে ‘বিদেশি অপপ্রচারের বিরুদ্ধে’ সংবাদ সম্মেলনে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুও একই কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট অপরাধে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় সাংবাদিক শফিক রেহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’

এ সময় জাসদ সভাপতি সাংবাদিক রেহমান, মাহমুদুর রহমান ও শওকত মাহমুদের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘সংবাদপত্রে কাজ করার জন্য তাদের গ্রেফতার করা হয়নি। তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ভিন্ন অপরাধজনিত কাজের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ রয়েছে।’

হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘শফিক রেহমানকে গ্রেফতারের পরে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। সেখানে আত্মপক্ষ সমর্থনের পূর্ণ সুযোগ রয়েছে। নির্দোষ প্রমাণিত হলে তিনি সসম্মানে বেরিয়ে আসবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘গণতন্ত্রে সব মতের জায়গা আছে, জঙ্গিদের নেই। স্বাধীন ও মুক্ত গণমাধ্যমেও উস্কানি, মিথ্যাচার, খণ্ডিত তথ্য ও পীত সাংবাদিকতার জায়গা নেই।’

Facebook Comments