আন্দোলনকে থ্রেট মনে করে না আওয়ামী লীগ : আমু

0
22
Print Friendly, PDF & Email
amu

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, বিএনপির কোন আন্দোলনকে থ্রেট মনে করে না আওয়ামী লীগ।

তিনি বলেন, বিএনপি যখন আন্দোলনের কথা বলে শুধু আওয়ামী লীগ নয়, সরকার নয়, দেশের মানুষের মধ্যে নেমে আসে পেট্রোল বোমাতঙ্ক । মানুষের চোখের সামনে ভেসে আসে পেট্রোলবোমায় পোড়ানো গণহত্যার চিত্র। আওয়ামী লীগ তাদের কোন আন্দোলনকেই থ্রেট মনে করেনা। ভবিষ্যতেও করবেনা।

রোববার ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমু এসব কথা বলেন। মুজিবনগর স্মৃতিসৌধের পাদদেশে শেখ হাসিনা মঞ্চে এই জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক ক্যাপ্টেন (অব) এবি তাজুল ইসলাম এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী শ্রী বীরেন শিকদার, চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সোলায়মান জোয়ার্দ্দার সেলুন এমপি, মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক ফরহাদ হোসেন এমপি প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

আমির হোসেন আমু বলেন, বিএনপি নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসাবে দাবি করে, কিন্তু তারা মুজিবনগর দিবস পালন করেনা। অথচ বঙ্গবন্ধু ফাঁসির আসামী হয়েও তৎকালীন সময় সাড়ে ৭ কোটি মানুষ দেশের জন্য রাজনীতি করেছেন। যারা বঙ্গবন্ধু ও চারনেতা হত্যার সাথে জড়িত তাদের এখন মানুষ প্রত্যাখান করছে। কারণ বিএনপি হরতাল দিলে সেই হরতাল প্রত্যাখান হয়।

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল শনিবার বেলা ১১টার দিকে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে এক অনাড়ম্বর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের শপথ গ্রহণ। শপথ অনুষ্ঠানে পাঠ করা হয় স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র। স্বাধীনতার মহামন্ত্রে উজ্জীবিত বাঙ্গালী ও ১২৭জন দেশী বিদেশী সাংবাদিকের উপস্থিতিতে বাংলাদেশের প্রথম মন্ত্রী সভার সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। বৈদ্যনাথতলা ছিল এক অপরিচিত গ্রাম। শপথ অনুষ্ঠানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ ঘোষণা করেন আজ থেকে বৈদ্যনাথতলার নাম হবে মুজিবনগর। সেই থেকে প্রতি বছর ১৭এপ্রিল মুজিবনগর দিবস পালিত হয়ে আসছে।

Facebook Comments