শ্রীপুরে ৮ ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন; ৩ চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচন বর্জন

0
16
Print Friendly, PDF & Email
upi 620x330

স্টাফ রিপোর্টার: শ্রীপুর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ২৩ এপ্রিল তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত টানা শান্তি পূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। অনিয়ম ভোট প্রদানে বাধার অভিযোগ এনে ২ বিএনপি প্রার্থী ও ১ বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকে উৎসব মুখর পরিবেশে সাধারণ ভোটারা দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে তীব্র গরম উপেক্ষা করে ভোট দিচ্ছেন। প্রায় প্রতিটি কেন্দ্রেই ছিল দিনভর ভোটারদের দীর্ঘ লাইন। দু’একটি কেন্দ্রে মেম্বার প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে। স্থানীয় লোকজন জানান, বেলা ১১ টার দিকে ইজ্জতপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৬ কক্ষের সামনে মেম্বার প্রার্থী মিজানুর রহমান নিহার ভোটারদের প্রভাবীত করার চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শাহজাহান সরকারের পক্ষে আনারস প্রতীকে ভোট চান। এ ঘটনায় নৌকা প্রতীকের সমর্থকরা উত্তেজিত হয়ে উঠলে দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় ওই কক্ষের সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার আহসান উদ্দিন, আনসার সদস্য আনোয়ার হোসেন, স্থানীয় যুবক আনিছ ও রনি আহত হয়। কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার আলাউদ্দিন আল আজাদ জানান, একদল উশৃঙ্খল যুবক তার কক্ষে প্রবেশ করে ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে। কতর্ব্যরত নিরাপত্তা কর্মীরা ওই যুবকদের প্রতিহত করে দেয়। নিরাপত্তা জনিত কারণে ১০ টা ৯ মিনিট থেকে ৮ ঘন্টা ভোট গ্রহণ বন্ধ ছিল। খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহ র‌্যাব পুলিশ, বিজিবি দ্রুত কেন্দ্রে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। এদিকে বেলা ১১ টার দিকে মাওনা ইউনিয়নের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ফজলুল হক বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে একই ইউনিয়নের বিএনপি প্রার্থী মোক্তারুল করিম শামীম এবং বেলা ১ টার দিকে রাজাবাড়ী ইউনিয়নের বিএনপি প্রার্থী কুতুব উদ্দিন আহমেদ নির্বাচনে অনিয়ম, ভোটারদের ভোট প্রদানে বাধা, জোর করে সীল মারা সহ নানা অনিয়নের অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। বরমী ইউনিয়নের বিএনপি প্রার্থী আক্তার হোসেন শামীম জানান, বরমী ইউনিয়নে নির্বাচনে কোন অনিয়মের ঘটনা ঘটেনি। তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওনা ইউনিয়নের জাহাঙ্গীর আলম খোকন এবং রাজাবাড়ী ইউনিয়নের ফারুক হোসেন জানান, বিএনপির প্রার্থীরা পূর্বে থেকে নির্বাচনে ভরাডুবির বিষয়টি জেনে নির্বাচন বর্জনের ঘোষনা দেন। নির্বাচনে কোথাও কোন বল পূর্বক অনিয়ম ও ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেনি।

Facebook Comments