ইউএনও’র বিরুদ্ধে মামলা প্রভাবশালীদের ইন্ধনে!

0
32
Print Friendly, PDF & Email
1500753404

বরিশালের আগৈলঝাড়ার সাবেক ও বর্তমানে বরগুনা সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গাজী তারিক সালমনের বিরুদ্ধে মামলা, কোর্টহাজতে প্রেরণ, পরবর্তীতে জামিন ইত্যাদি ঘটনা নিয়ে বেশ তোলপাড় চলছে। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের ইন্ধনেই তার বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর ছবি বিকৃতির অভিযোগ তুলে মানহানির মামলা দেওয়া হয়েছে। আজ রবিবার মামলার শুনানিতে আদালতে হাজির হচ্ছেন ইউএনও। এছাড়া এই মামলার আইনি ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৭ ধারা অনুযায়ী এ ধরণের মামলার ক্ষেত্রে সরকারের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে তা গ্রহণ করা হয়নি।

স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদের অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি যথাযথভাবে প্রদর্শিত হয়নি- অভিযোগ তুলে তারিক সালমনের বিরুদ্ধে গত ৭ জুন আদালতে মামলাটি করেন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ওবায়েদ উল্লাহ সাজু। গত ১৯ জুলাই বরিশালের মুখ্য মহানগর হাকিম আলী হোসাইনের আদালতে ইউএনও তারিক সালমন হাজির হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন প্রার্থনা ও মামলা খারিজের আবেদন করেন। তারিকের পক্ষে বলা হয়, তিনি একজন প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তা। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৭ ধারা অনুযায়ী এ ধরণের মামলার ক্ষেত্রে সরকারের অনুমোদনের প্রয়োজন। কিন্তু এক্ষেত্রে তা গ্রহণ করা হয়নি। সুতরাং এ মামলাটি চলতে পারে না। আদালত ৩০ মিনিট উভয়পক্ষের বক্তব্য শোনেন। পরে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে ইউএনওকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। যদিও আড়াই ঘন্টা পর আরেক নির্দেশে তাকে জামিন দেওয়া হয়।  প্রসঙ্গত, ৫০০ (১) ধারায় দায়ের করা এ মামলা জামিনযোগ্য বলে বিবেচিত।

এই ঘটনাটি প্রথমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এবং পরবর্তীতে সকল ধরণের গণমাধ্যমে প্রকাশ ও প্রচার হলে প্রশাসনসহ সরকারের বিভিন্ন স্তরে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেন। তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভের কথা প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমাম একটি বিদেশি গণমাধ্যমকে জানান। এরপরই দেশের বেশির ভাগ জেলা-উপজেলা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সচিবালয় প্রভৃতি স্থানে কর্মরত প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশ এডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস এসোসিয়েশন এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়ে দোষী ব্যক্তির শাস্তি দাবি করে। গত শুক্রবার রাতেই মামলার বাদি ওবায়েদ উল্লাহ সাজুকে  আওয়ামী লীগ থেকে সাময়িক বহিস্কারের ঘোষণা দেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

মামলার নেপথ্যে:অনুসন্ধানে জানা গেছে, আগৈলঝাড়া শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ডিগ্রী কলেজ কেন্দ্রে গত মে মাসে ডিগ্রী পরীক্ষা চলাকালীন সরকারি গৌরনদী কলেজের শিক্ষার্থী আল রাজিন ওরফে পিয়ালকে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করেন আগৈলঝাড়ার তত্কালীন ইউএনও গাজী তারিক সালমন। নকলে সহযোগিতার জন্য কলেজের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নারায়ণ চন্দ্র সরকারকেও বহিষ্কার করেন তিনি। এছাড়া পরীক্ষার হলে কর্তব্যরত আগৈলঝাড়া শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ডিগ্রি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক প্রতীমা ঘটক ও হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক নূর মোহম্মদকে ওই শিক্ষার্থীকে সহায়তা করার জন্য আগামী দুই বছরের জন্য পরীক্ষায় কর্তব্য পালন থেকে বহিষ্কার করা হয়। পরে ‘পাবলিক পরীক্ষাসমূহ অপরাধ আইন-১৯৮০’এর ১১ ধারায় শিক্ষার্থী পিয়ালকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও কর্মচারী নারায়ণ সরকারকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ প্রদান করেন। এসব কারণে যারা নাখোশ তাদের ইন্ধনে এ মামলা হয়েছে বলে অনেকের সন্দেহ।

এছাড়া ২০১৫-১৬ অর্থবছরে আগৈলঝাড়া উপজেলার সোলার প্যানেল স্থাপনের জন্য বরাদ্দ দেওয়া ৭৯ লাখ টাকা ফেরত পাঠান তিনি। স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল ওই টাকা তাদের নিজেদের মতো করে খরচ করতে চেয়েছিলেন। তিনি এতে বাধা হয়ে দাঁড়ান। ফলে ওই মহলটি ইউএনও’র উপর ক্ষুব্ধ হয়ে মামলায় ইন্ধন দিয়ে থাকতে পারেন বলে অনেকে অভিযোগ করেছেন ।

যেভাবে ঘটনার সূত্রপাত: গত ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবসে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শিরোনামে এক চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় আগৈলঝাড়ার এস এম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। এই প্রতিযোগিতার প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী দুটি ছবির জন্য খুদে আঁঁকিয়েদের পুরস্কৃত করা হয়। আর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনে উপজেলা প্রশাসনের আমন্ত্রণপত্রে ছবি দুটি ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে প্রথম স্থান পাওয়া জ্যোতি মন্ডলের ছবিটি আমন্ত্রণপত্রের কভারে এবং দ্বিতীয় স্থান পাওয়া অদ্রিজা করের ছবিটি ব্যবহার করা হয় আমন্ত্রণপত্রের পেছনের পাতায়। পেছনের পাতায় ছাপা হওয়া ছবিটির জন্যই ইউএনও গাজী তারিক সালমনের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর ছবি বিকৃতির অভিযোগে মামলা করেন আওয়ামী লীগ নেতা ওবায়দুল্লাহ সাজু।

জানা গেছে, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতা বরিশালের তত্কালীন বিভাগীয় কমিশনার মো. গাউসের সঙ্গে দেখা করে প্রতিকার দাবি করেন। তিনি তখন বিষয়টি জেলা প্রশাসক গাজী মো. সাইফুজ্জামানকে দেখতে নির্দেশনা দেন। এই প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক গত ৩ এপ্রিল ইউএনওকে একটি কারণ দর্শানো নোটিশ জারি করেন। এতে তিনি বলেন, স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের আমন্ত্রণপত্রে জাতির পিতার ছবি যথাযথ মর্যাদায় প্রকাশ করা হয়নি। এ কারণে কেন তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা  নেওয়া হবে না, তা সাত কর্মদিবসের মধ্যে জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, প্রথমে প্রকাশিত আমন্ত্রণপত্রে জাতির পিতার ছবি পেছনে এবং সামনের পৃষ্ঠায় একটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক ছবি ছিল। পরে তা পরিবর্তন করে জাতির পিতার ছবি কভার পৃষ্ঠায় পুনঃমুদ্রণ করা হয়। যা তত্কালীন কমিশনার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে দিয়েছিলেন বলে গতকাল দাবি করেন।

জেলা প্রশাসকের কারণ দর্শানো নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে তারেক সালমন একটি জবাবও দেন। যাতে তিনি নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন। পরে কারণ দর্শানো চিঠির জবাব জেলা প্রশাসক বিভাগীয় কমিশনারের কাছে পাঠিয়ে দেন। বিভাগীয় কমিশনার গত ১৮ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে ইউএনও’র জবাব এবং মন্তব্যসহ একটি চিঠি পাঠান। তাতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘ইউএনও’র বক্তব্য সন্তোষজনক নয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মাকসুদুর রহমান পাটোয়ারি ইত্তেফাককে বলেন, বিভাগীয় কমিশনারের মন্তব্য গ্রহণ না করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ অভিযোগটি নথিভুক্ত করে নিষ্পত্তি করে দেয়। তবে ইউনএও তারেক বলছেন, মামলার পেছনে রয়েছে মহল বিশেষের ইন্ধন। তিনি জানান, বরিশালের আগৈলঝাড়ার ইউএনও থাকাকালে কয়েকটি কঠোর প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের কারণে ‘নাখোশ মহলের ইন্ধনে’ তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

আদালতে যা ঘটেছিল:গত ১৯ জুলাই  কোর্ট হাজতে আটক থাকার বিষয়টি ইউএনও তারিক বরগুনা জেলা প্রশাসককে লিখিতভাবে জানিয়েছেন। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, বরিশাল মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সৈয়দ ওবায়েদ উল্লাহ সাজু তার বিরুদ্ধে পাঁচ কোটি টাকার মানহানি মামলা করেন। ওই মামলায় মুখ্য মহানগর হাকিম (ভারপ্রাপ্ত) অমিত কুমার দে সমন জারির আদেশ দেন। গত ১৯ জুলাই ছিল সমন ফেরতের ধার্য দিন। ওইদিন আমি আদালতে হাজির হয়ে আইনজীবী মোখলেসুর রহমান খানের মাধ্যমে জামিন আবেদন ও ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি প্রার্থনা করি। আদালতে বাদীপক্ষের ৫০ জন আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।

তিনি চিঠিতে আরও বলেন, বরিশালের মুখ্য মহানগর হাকিম আলী হোসাইন প্রায় আধঘণ্টা উভয়পক্ষের বক্তব্য শোনেন। পরে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আমাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরপর আমাকে প্রায় দুই ঘণ্টা কোর্ট হাজতে আটক রাখা হয়। ইতিমধ্যে আমার জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করি। আনুমানিক বেলা ২টার সময় হাকিম আলী হোসাইন তার আদালতের পেশকারকে দিয়ে আমাকে ও আমার আইনজীবীকে তলব করেন এবং সেখানে উপস্থিত হওয়ার পর জামিন আবেদন মঞ্জুর করা হয়েছে বলে পেশকার আমাদের জানান।

অ্যাওয়ার্ড নিতে অপারগতা প্রকাশ ইউএনও’র: এদিকে নাগরিক সেবায় অসামান্য অবদান রাখায় বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গাজী তারিক সালমনকে পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বরগুনা জেলা প্রশাসন। গতকাল শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ফেসবুকে বরগুনা জেলা প্রশাসন পরিচালিত ‘সিটিজেনস ভয়েস বরগুনা’ নামক গ্রুপে এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. নুরুজ্জামান। তবে ইউএনও তারেক সালমান এই মুহূর্তে পদক নিতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন বলে জানা গেছে।

মামলা প্রত্যাহারের গুঞ্জন: বরিশাল অফিস  জানায়, গতকাল দিনভর নগরীতে গুজব রটে যায় মামলা প্রত্যাহার করে নিতে পারেন বাদী আইনজীবী সৈয়দ ওবায়েদ উল্লাহ সাজু। একাধিক আইনজীবী জানান, এ মুহূর্তে মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়া ছাড়া ওবায়েদ উল্লাহ সাজু’র বিকল্প কোনো পথ নেই। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা বলেন, না বুঝেই একাধিক আইনজীবী ইউএনও’র বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। কিন্তু দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি নিয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং দল থেকে সৈয়দ ওবায়েদ উল্লাহ সাজুকে সাময়িক বরখাস্ত করার পর সকল আইনজীবী তাদের ভুল বুঝতে পেরেছেন। একাধিক আইনজীবী সাজুকে মামলা প্রত্যাহারের বিষয়ে বলেছেন বলে একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। এ বিষয়ে ওবায়েদ উল্লাহ সাজু মোবাইল ফোনে জানান, ‘রাতে সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সাথে তিনি বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় বসবেন। আলোচনা শেষে তিনি জানাতে পারবেন কি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’

সাজুর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার প্রস্তুতি: ইউএনও গাজী তারিক সালমনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার বাদী সৈয়দ ওবায়েদ উল্লাহ সাজুর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরুর প্রস্তুতি চলছে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ এডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস এসোসিয়েশন থেকে এই আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে। বরিশালের জেলা প্রশাসক ড. গাজী মো. সাইফুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, আজ (রবিবার) আদালতের কাছে আবেদনের প্রেক্ষিতে তারিক সালমনের বিরুদ্ধে মামলা সংক্রান্ত সব নকল সংগ্রহ করে বাংলাদেশ এডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস এসোসিয়েশনে পাঠানো হবে। বলা যেতে পারে এর মধ্যে দিয়েই আইনানুগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

এ ব্যাপারে গাজী তারিক সালমন মোবাইল ফোনে জানান, ‘আইনি প্রক্রিয়ার উপর আমার ইচ্ছা বা অনিচ্ছার কোন বিষয় নেই, আমাদের এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে যে সিদ্ধান্ত আসবে সেটাই গ্রহণ করব।’

৬ পুলিশ ক্লোজড

এদিকে ইউএনও তারেক সালমনকে হাতকড়া পড়ানোর অভিযোগে বরিশাল কোর্ট পুলিশের এক এসআই, দুই এটিএসআই ও তিন কনস্টেবলকে ক্লোজ করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল মহানগর পুলিশের মুখপাত্র এসি নাসিরউদ্দিন মল্লিক।

 

ইত্তেফাক/নূহু

Facebook Comments