চীন-পাকিস্তান যৌথ বিমান মহড়া

0
24
Print Friendly, PDF & Email

যৌথ মহড়ায় অংশ নিয়েছে চীন ও পাকিস্তানের বিমান বাহিনী। মহড়ায় চীন ও পাকিস্তানের শক্তিশালী বিমান অংশ নেয়।

চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে বিদেশি রাষ্ট্রের কাছ থেকে নিত্যনতুন কলাকৌশল শিখে নিজেদের বাহিনীকে সর্বশ্রেষ্ঠ করার উদ্দেশ্যেই এই মহড়া শুরু করা হয়েছে।

পাকিস্তানে পঞ্চম পরমাণবিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
বিদ্যুৎ সমস্যায় জেরবার পাকিস্তান। সেই সমস্যা মেটাতে পাঞ্জাব প্রদেশে ৩৪০ মেগাওয়াটের পারমাণবিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্বোধন করলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহিদ খাকান আব্বাসি। জানা গিয়েছে, পাঞ্জাব প্রদেশের মিনাওয়ালি জেলার চাসমায় চীনের সহায়তায় এই পরমাণবিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি গড়া হয়েছে। আব্বাসি জানিয়েছেন, পরমাণবিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলির জন্য সস্তায় বিদ্যুৎ মেলে। আগামী দিনে এরকম আরও কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে।

পাকিস্তান সেনাপ্রধানের আহ্বান
রাজনৈতিক উদ্যোগে কাশ্মীর বিতর্কের নিষ্পতি চান পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল কোয়ামার জাভেদ বাজওয়া। বৃহস্পতিবার রাওয়ালপিন্ডিতে প্রতিরক্ষা দিবসের এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গালমন্দ করে সীমান্তে সন্ত্রাস চালিয়ে কাশ্মীর ইস্যুর মিটমাট সম্ভব নয়। বরং রাজনৈতিক দৌত্যের মাধ্যমে কাশ্মীর সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করুক ভারত। সেই সঙ্গে শুরু হোক দ্বিপক্ষীয় আলোচনাও।

পাকিস্তান সর্বদা এই আলোচনায় আগ্রহী বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন। পাশাপাশি কিছুটা হুমকির সুরে ‘পাকিস্তান পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র’ বলেও স্মরণ করাতে ভোলেননি বাজওয়া।

১৯৬৫ সালে ভারত-পাক যুদ্ধকে সামনে রেখে প্রতিবছর ৬ সেপ্টেম্বর প্রতিরক্ষা দিবস পালন করে পাকিস্তান। আর তাৎপর্যপূর্ণভাবে ওই দিনই পাকিস্তানে লস্কর-ই-তৈয়বা কিংবা জয়েশ-ই- মোহাম্মদের মতো জঙ্গি সংগঠনগুলির কার্যকলাপকে সরকারিভাবে মেনে নিয়েছেন সেদেশের বিদেশমন্ত্রী খাওয়াজা আসিফ মোহাম্মদ।

প্রতিরক্ষা দিবসের অনুষ্ঠানেও বাজওয়া বলেছেন, পাকিস্তান সন্ত্রাস দমনে নিরলস সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। আর এই কারণেই আমরা চাই প্রতিটি দেশের সঙ্গে পাকিস্তানের পারস্পরিক সম্পর্ক সুদৃঢ় হোক। দক্ষিণ এশিয়ার মানুষও চান আঞ্চলিক শান্তি ও প্রগতি।

সেক্ষেত্রে কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত-পাকিস্তানের দ্বান্দ্বিক অবস্থান তুলে ধরে বাজওয়া বলেছেন, পাকিস্তান যে কোনও মূল্যে শান্তি চায়। দু’দেশের কোটি কোটি মানুষও সেটাই চান। তাই কাশ্মীর ইস্যুতে দু’দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক স্তরে আলোচনা হোক। রাজনৈতিক উদ্যোগেই সমস্যার সমাধান সম্ভব। এরই পাশাপাশি পাকিস্তান সেনাপ্রধান আরো বলেন, কাশ্মীরিদের অধিকার রক্ষায় পাকিস্তান তাদের নৈতিক সমর্থন করে যাবে। এবং তা করা হচ্ছে জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব মেনে।

Facebook Comments
শেয়ার করুন