বর্ষ ১ - সংখ্যা ৪৯

সংবাদ শিরোনাম :
কালীগঞ্জে অসহায় গ্রামবাসীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ প্রদান: বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক ঘুরে দেখলেন সজিব ওয়াজেদ জয়: বিএনপির সদস্য হতে নারী ও তরুণদের ব্যাপক আগ্রহ: ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নিয়ে সমালোচনায় ট্রাম্প: ইরানের পরমাণু সমঝোতা বাস্তবায়ন করুন : চীন: মার্চেই প্রাথমিকে ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ : গাজীপুরে অস্ত্র ও গুলিসহ ৬ ডাকাত আটক: গাজীপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আ.লীগ প্যানেল জয়ী: গাজীপুরের শ্রীপুরে সড়কে গর্ত ও ধুলায় জনদুর্ভোগ চরমে: গাজীপুরের ‘জাগ্রত চৌরঙ্গী’ এখন মূত্রত্যাগীদের পাবলিক টয়লেট !!: কালিয়াকৈরে কবরস্থানের জমিতে মার্কেট নির্মাণের অভিযোগ !: উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী ড. মেঘনাদ সাহার স্মরণ সভা পালিত : শ্রী শ্রী মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান ও অষ্টকালীন লীলা কীর্তন অনুষ্ঠিত: মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানির দ্বার উন্মোচন: পুলিশি হামলা : দুঃশাসনের বহিঃপ্রকাশ : বিএনপি:
A+ A A-

ফেব্রুয়ারী 2017

28 ফেব্রুয়ারী 2017

কালিয়াকৈরে কবরস্থানের জমিতে মার্কেট নির্মাণের অভিযোগ !

গাজীপুর প্রতিনিধি : গাজীপুরের কালিয়াকৈরে পূর্ব চান্দরা বোর্ড মিল বাজার এলাকাতে কবরস্থানের জমি দখল করে মার্কেট নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে । সফিপুর বাজার থেকে এক কিলোমিটার উত্তর দিকে সফিপুর-বড়ইবাড়ি রাস্তার পাশে এ কবর স্থানটি অবস্থিত। মুল সড়কের পাশে থাকার কারণে এ জায়গাটির বাজার মূল্য অনেক। ফলে কবরস্থানটির দিকে নজর পড়েছে অনেকেরই। 

স্থানীয়দের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য মতে বোর্ড মিল এলাকার এবং আশে পাশের অসহায় ভূমিহীন মানুষের জন্য একমাত্র কবরস্থান এটি। আর অসহায়দের শেষ আশ্রয়ের ওই জমি দখলের পায়তারায় দীর্ঘ দিন ধরে লিপ্ত রয়েছে স্থানীয় একটি মহল। বিভিন্ন সময় তারা কৌশলে কবরস্থানের জমি অল্প অল্প করে দখল নিয়ে কবরস্থানের জমির পরিমান কমিয়ে ফেলেছে। কবরস্থানের চারদিকেই জমি দখল হয়েছে বলে জানা গেছে। দখলকারীরা কবরের জমিতে বসত বাড়ি দোকান সহ নানা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ  খাদেম আলী (৫৫), সেলিম (৪০) রশিদ (৫০) জিয়া (৩৫) কবরস্থানের জমি দখল করে বসতবাড়ি, দোকানপাট নির্মাণ করেছে । এলাকাবাসীর মতে, এরা প্রতিমাসে কবরস্থানের অবৈধ ভাবে দখলকৃত জমি থেকে লক্ষাধিক টাকার বেশি আয় করছে। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করে অনেককেই বিভিন্ন সময় নানা ভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। ইতোপূর্বে এই কবরস্থান নির্মানে যার অনস্বীকার্য ভুমিকা এবং কবরস্থান তৈরির রূপকার এলাকার তরুন মো. মুকুল হোসেনসহ  ওই দখলদারদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে মামলাও খেয়েছেন অনেকে। ফলে সমাজের প্রতাবশালী ওই দখলদারদের ভয়ে কেউ আর প্রতিবাদ করতে চান না। 

সরেজমিনে দেখা যায়, কবরস্থানের দক্ষিন পাশে রশিদ নামের এক ব্যক্তি মার্কেট নিমার্ণ করছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ রশিদের নির্মানাধীন মার্কেটের ভিতর বেশ কয়েকটি কবর পড়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় জনতা প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ করলেও থামছে না রশিদের মার্কেট নির্মানের কাজ।

প্রতিবেদককে তারা জানান, বেশ কয়েক বছর ধরেই তারা কবরস্থান দখলের বিষয়টি বিভিন্ন মহলে জানিয়েছেন। কিন্তু কোন প্রকার সমাধান হয়নি। ফলে তারা প্রতিবাদী হয়ে নিজেরাই কবরস্থান দখল করে মার্কেট নির্মাণে বাধা দিয়েছেন। এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে এলাকার বনভূমির জমি দখল করে ইতো মধ্যেই বেশ টাকার মালিক বনে গেছেন উল্লেখিত ব্যক্তিরা। বনবিভাগের জমি দখল করে বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান করতে কোন সমস্যা না হওয়ার কারণে তাদের নজর পড়েছে কবরস্থানের দিকে।  আজ তারা কবরস্থানের জমি দখলের পায়তারা করছে। 

এলাকাবাসী আরো অভিযোগ করে বলেন, টাকা দিয়ে প্রশাসনের ব্যক্তিদের কিনে রেখেছে উল্লেখিত ব্যক্তিরা। আর তাই বিভিন্ন সময় প্রশাসনের লোকজন উপস্থিত থেকে অবৈধ দখলকে বৈধতা দিয়ে গেছেন। এ ক্ষেত্রে পুলিশ প্রশাসন যেমন জড়িত তেমনি বনভূমির লোকজনও জড়িত বলে তারা জানান।

সংশ্লীষ্ট প্রশাসন ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দর কাছে এলাকাবাসীর দাবী, যাতে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে বেদখল হওয়া কবরস্থানের জমি পুনরুদ্ধার করে অবৈধ দখল থেকে কবরস্থানকে রক্ষা করা যায় তার জন্য সার্বিক সহযোগীতা করার।

এলাকাবাসী জানায়, স্থানীয় রশিদ নামের এক ব্যক্তি কবরস্থানের জমি দখল করে মাকের্ট নিমার্ন করতে গেলে গত শনিবার এলাকাবাসী ওই কাজে বাধা প্রদান করেন। পরে রশিদ মিয়া এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের নিয়ে বসে ওই জমি সার্ভেয়ার দারা মেপে সঠিক সীমানা নির্ধারনের মাধ্যমে কাজ করার এবং তার ভেতরে কবরস্থানের জমি পরলে সে সবার উস্থিতে তা ছেড়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। সেই মোতাবেক এলাকার লোকজন পরের দিন রবিবার সকাল ৯টার দিকে সার্ভেয়ারসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। কিন্তু রশিদ মিয়া সবার সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে সেখানে উপস্থিত হননি। পরে তার জন্য সমাজের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করে ফিরে যায়।   

কবর স্থান দখলে যাদের নাম শোনা গেছে তাদের অনেকের সাথে যোগাযোগের চেষ্ঠা করে তাদের পাওয়া যায়নি। তবে কবরস্থানের জমি দখল করে নতুন করে মার্কেট নির্মাণের অভিযোগ যার নাম এসেছে সেই রশিদ কবর স্থানের জমি দখল করে মার্কেট নির্মাণের বিষয়টি অস্বীকার করেন। 

Read more

16 ফেব্রুয়ারী 2017

উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী ড. মেঘনাদ সাহার স্মরণ সভা পালিত

কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি : গাজীপুরের কালিয়াকৈরে এই প্রথমবারের মতো পালিত হলো উপমহাদেশের অন্যতম শেষ্ঠ বিজ্ঞানী ড. মেঘনাদ সাহার মৃত্যু দিন উপলক্ষে স্মরণ সভা। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার হরিণহাটি এলাকায় উজ্জল ক্যাডেট হাই স্কুল এর উদ্যোগে এ স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উজ্জল ক্যাডেট হাই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মো. উজ্জল হোসেন এর সভাপিতত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন, অত্র স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিবাবক বৃন্দ।

সভার শুরুতে উপমহাদেশের অন্যতম শেষ্ঠ বিজ্ঞানী ড. মেঘনাদ সাহার স্মরণে সবাই দাড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে শিক্ষকরা ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বিজ্ঞানী ড. মেঘনাদ সাহার জীবন পরিচিতি সর্স্পকে আলোচনা করেন। 

বিজ্ঞানী ড. মেঘনাদ সাহা ১৮৯৩সালের ৬ই অক্টোবর বর্তমান গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার  শেওড়াতলী গ্রামের এক দরিদ্র পরিবারে তিনি জন্মগ্রহন করেন। প্রচন্ড ঝড় বৃষ্টির দিনে তার জন্ম হয় বলে প্রথমে তার নাম রাখা হয় মেঘনাথ পরে তা একটু বদল করে রাখা হয় মেঘনাদ। জগন্নাথ সাহা ও ভুবনেশ্বরী সাহার ৫ম সন্তান মেঘনাদ সাহা। 

শুধু ভারতীয় উপমহাদেশে নয় সমগ্র বিজ্ঞানের জগতে আধুনিক জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানের ভিত্তি গড়ে উঠেছে যে ক’জন মানুষের মৌলিক তত্ত্বের উপর অধ্যাপক মেঘনাদ সাহা তাঁদের অন্যতম। ১৯২০ সালে মেঘনাদ সাহার তাপীয় আয়নায়নের সমীকরণ (আয়নাইজেশান ইকুয়েশান) প্রকাশিত হবার পর থেকে ১৯৩৮ সাল পর্যন্ত জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানে যত গবেষণা হয়েছে তাদের প্রায় সবগুলোই সাহার সমীকরণ দ্বারা প্রভাবিত। নরওয়ের বিখ্যাত জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী সেভিন রোজল্যান্ড অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত “থিওরেটিক্যাল এস্ট্রোফিজিক্স” বইতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন এ কথা। আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের পারমাণবিক তত্ত্ব থেকে শুরু করে বিগ-ব্যাং তত্ত্বের পরীক্ষণ পর্যন্ত সহজ হয়ে উঠেছে যে যন্ত্রের উদ্ভাবনের ফলে সেই সাইক্লোট্রনের উদ্ভাবক নোবেল বিজয়ী আর্নেস্ট লরেন্স সহ অসংখ্য বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা অর্জন করেছেন মেঘনাদ সাহা তাঁর কাজের মধ্য দিয়ে। নোবেল বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী আর্নল্ড সামারফেল্ড, নীল্স বোর, ম্যাক্স বর্ন, আলবার্ট আইনস্টাইন, আর্থার এডিংটন, এনরিকো ফার্মি, আর্থার কম্পটন প্রমুখ দিকপাল মুগ্ধতার সাথে স্বীকার করেছেন মেঘনাদ সাহার অনন্য প্রতিভার কথা। ভারতবর্ষের বিজ্ঞানচর্চার সাথে বিশ্বের পরিচয় ঘটিয়ে দেয়ার ব্যাপারে এবং ভারতের বিজ্ঞান-গবেষণাকে বিশ্বমানে উন্নীত করার ব্যাপারে মেঘনাদ সাহার অবদান অনস্বীকার্য। গবেষণার স্বীকৃতি হিসেবে রয়েল সোসাইটির ফেলোশিপ পাবার পাশাপাশি মেঘনাদ সাহা নোবেল পুরষ্কারের জন্য মনোনয়ন পেয়েছেন চার বার। ভারতীয় উপমহাদেশে বিশ্বমাপের বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ভিত্তি স্থাপিত হয়েছে মেঘনাদ সাহার অক্লান্ত পরিশ্রমে। দেশে নিউক্লিয়ার পদার্থবিজ্ঞান পড়ানো শুরু হয়েছে মেঘনাদ সাহার হাতে। নিরলস চেষ্টা ও পরিশ্রমে গড়ে তুলেছেন ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার ফিজিক্স। ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্স, ইন্ডিয়ান ফিজিক্যাল সোসাইটি, ইন্ডিয়ান সায়েন্স নিউজ এসোসিয়েশান সবগুলো সংগঠনই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মেঘনাদ সাহার নেতৃত্বে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে মেঘনাদ সাহা মূলত পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র ছিলেন না। তিনি বিএসসি ও এমএসসি পাশ করেছেন মিশ্র গণিতে। সম্পূর্ণ নিজের চেষ্টায় পদার্থবিজ্ঞান শুধু শিখেছেন তাই নয় ক্রমশঃ পৌঁছে গেছেন এই বিষয়ের শিখরে। উপমহাদেশে প্রথম সাইক্লোট্রন স্থাপিত হয় মেঘনাদ সাহার প্রচেষ্টায়। বিজ্ঞানকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার জন্য জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কাজ করে গেছেন তিনি। দরিদ্র অশিক্ষিত মা-বাবার সন্তান হয়েও মেধা, পরিশ্রম ও নিষ্ঠার জোরে একজন মানুষ যে কত বড় হয়ে উঠতে পারেন মেঘনাদ সাহা তার জ্বলন্ত প্রমাণ।

১৯৫৬ সালের ১৬ফেব্রুয়ারী কলকাতা থেকে নয়াদিল্লী পার্লামেন্ট ভবনে যাওয়ার পথে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়ে তিনি মারা যান। 

কৃর্তিমান এই বিজ্ঞানীর জন্মদিন কিংবা মৃত্যু বার্ষিকী পালনে নেই কোন সরকারী-বেসরকারী ও সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগ। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই মহান বিজ্ঞানীর নাম এখন অনেকেই ভুলে গেছে। সব মিলিয়ে তার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ১৮৬টি। 

 

Read more

14 ফেব্রুয়ারী 2017

শ্রী শ্রী মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান ও অষ্টকালীন লীলা কীর্তন অনুষ্ঠিত

গাজীপুর প্রতিনিধি : গাজীপুরের কালিয়াকৈরে সুশিলা সুন্দরী মহাশ্মশান ঘাট, রাধাগোবিন্দ ও জয়বাবা লোকনাথের মন্দিরে শ্রী শ্রী মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান ও অষ্টকালীন লীলা কীর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলার সফিপুর রঙ্গারটেক এলাকায় তিনদিন ব্যাপি অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানের সোমবার ভোর রাতে সমাপ্তি ঘটে।

অত্র মন্দিরের সভাপতি রবিন্দ্র চন্দ্র বর্মন জানান, আজ তমাসাচ্ছন্ন কলির করাল গ্রাসে পাপ পঙ্কিলতায় নিমজ্জিত জীবকুল। হিংসা দ্বেষ, অনাচার অবিচার দগ্ধ বিদগ্ধ সমাজ, সংসার ও সারা বিশ্ব। আমরা সব প্রকার বালা মসিবত থেকে মুক্তির জন্য এবং বিশ্বের সকল জীবের শান্তি, মঙ্গল ও কল্যান কামনায় সেই শাশ্বত বিশ্ব শান্তি মহামন্ত্র ‘হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে, হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে’ পড়ে ১৬ প্রহর ব্যাপি অখন্ড শ্রীশ্রী তারকব্রক্ষ মহানামাযজ্ঞ ও অষ্টকালীন লীলা কীর্তনে ব্রতি হয়েছি। আশা করি তিনি আমাদের সকল আশা আকাঙ্খা পূর্ন করবেন।

এ অনুষ্ঠানকে সাফল্য মন্ডিত করতে যারা সার্বিক সহযোগীতা করেছেন, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মাননীয় মন্ত্রী আলহাজ্ব এ্যাডভোকেট আ ক ম মোজাম্মেল হক, কালিয়াকৈর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মো. কামাল উদ্দিন সিকদার, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম রাসেল, মৌচাক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. লোকমান হোসেন, কালিয়াকৈর বিআরডিবির চেয়ারম্যান সরকার মোশারফ হোসেন জয়, রফিকুল ইসলাম তুষার, জসিম উদ্দিন ইকবাল, আতাউর হোসেন জয়সহ অত্র মন্দিরের কমিটি বৃন্দ।

 

Read more

10 ফেব্রুয়ারী 2017

মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানির দ্বার উন্মোচন

নিউজ ডেস্ক : দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে মালয়েশিয়ায় উন্মোচিত হলো জনশক্তি রপ্তানির দ্বার। শুক্রবার মালয়েশিয়া সফরে থাকা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেন।

মিয়ানমার ইস্যুতে ওআইসির বিশেষ সম্মেলনে যোগদান শেষে শ্রমবাজার ইস্যু নিয়ে দু’দেশের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের পর আজ শুক্রবার এ ঘোষণা দিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

মালয়েশিয়ায় সদ্য স্থানান্তরিত বাংলাদেশ হাইকমিশনে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ সপ্তাহ থেকে অনলাইনের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানির প্রক্রিয়া শুরু হবে। ইতোমধ্যে ছয় হাজার শ্রমিকের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সত্যায়ন করা হয়েছে। ধাপে ধাপে এ মাসেই আরো ৫০ হাজার শ্রমিকের কাগজপত্র সত্যায়ন হবে বলে আশা করেন তিনি।

তিনি বলেন, ২০১৬ সালে সারা বিশ্বে বাংলাদেশ থেকে যত জনশক্তি রপ্তানি হয়েছে এ বছর শুধু মালয়েশিয়াতেই তার চেয়ে বেশি শ্রমিক রপ্তানি হবে। আমরা সেই প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হচ্ছি।  

এর আগে নতুন ভবনে স্থানান্তরিত মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশন ঘুরে দেখেন মন্ত্রী। কথা বলেন সাধারণ শ্রমিকদের সঙ্গে। স্থানান্তরিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মতৎপরতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের হাইকমিশনার মো. শহীদুল ইসলাম, ডেপুটি হাইকমিশনার ফয়সাল আহমেদ, ডিফেন্স উইং মো. হুমায়ুন কবির, লেবার কাউন্সিলর সায়েদুল ইসলাম, মিনিস্টার (রাজনৈতিক) ওয়াহিদা আহমেদ, রাইচ হাসান সরোয়ার, প্রথম সচিব এস কে শাহীন, কমার্শিয়াল উইং ধনঞ্চয় কুমার দাস, প্রথম সচিব হেদায়েতুল ইসলাম, মশিউর রহমান, দ্বিতীয় সচিব তাহমিনা ইয়াসমিন, ফরিদ আহমেদ ও দূতাবাসের সব কর্মকর্তা।

 

Read more

পুলিশি হামলা : দুঃশাসনের বহিঃপ্রকাশ : বিএনপি

নিউজ ডেস্ক : বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আদালতে হাজিরা দেওয়াকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে উপস্থিত নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশ হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, পুলিশের হামলা আওয়ামী নাৎসি দুঃশাসনের আরেকটি বহিঃপ্রকাশ। তবে সরকারি নিপীড়ন-নির্যাতনের মুখেও জাতীয়তাবাদী নেতাকর্মীদের মানসিক প্রত্যয় ও মনোবল আরো শক্তিশালী হচ্ছে।

হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে গ্রেপ্তার করা নেতাকর্মীদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন তিনি। রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ওই সংবাদ সম্মেলন হয়।

রিজভী বলেন, বিএনপি নেত্রীকে শুভেচ্ছা জানাতে নেতাকর্মীরা সবসময় স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজপথে এভাবেই জড়ো হয়ে থাকেন। আজও অসংখ্য নেতাকর্মী তার যাত্রাপথের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে উপস্থিত ছিল।

কিন্তু সরকারের পেটোয়া বাহিনী পুলিশ বিনা উস্কানিতে মৎস্য ভবন এলাকায় নেতাকর্মী ও সাধারণ পথচারীর ওপর গুলিবর্ষণ ও বেধড়ক লাঠিচার্জের মাধ্যমে আকস্মিক বর্বরোচিত আক্রমণ চালায়। এতে বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মী আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং বেশকিছু নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয় বলেন বিএনপির এই নেতা।

তিনি বলেন, জমায়েত এবং ভিড় থেকেই সরকারের মনে ভয় ঢুকেছে। আতঙ্কিত হয়েই বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর আওয়ামী সরকার পুলিশি আক্রমণ চালাচ্ছে। বিরোধী দলের থেঁতলে যাওয়া নেতাকর্মীদের দেহের ওপর দাঁড়িয়ে আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে নিয়ে নির্জলা মিথ্যাচারের ইস্তেহার জারি করে যাচ্ছে প্রতিদিন।

 

Read more

বুড়িগঙ্গার সীমানা নির্ধারণ ও দখলদার উচ্ছেদের দাবি

নিউজ ডেস্ক : বুড়িগঙ্গার সঠিক সীমানা নির্ধারণ ও  দখলদারদের স্থায়ীভাবে উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছেন পরিবেশবাদীরা। 

শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও বুড়িগঙ্গা রিভারকিপার  আয়োজিত এক  সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

বক্তারা বলেন, সমন্বয়হীনতার কারণে দেশের অনেক নদীর মতোই বুড়িগঙ্গা ক্রমাগতভাবে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। গত দুই দশকে এ নদীর দুই পাশ ঘেঁষে ঘর-বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। উচ্চ আদালতের নির্দেশ থাকার পরও দখলদার উচ্ছেদ করা যায়নি। বুড়িগঙ্গা নদী এখন মৃত্যুমুখী। বিভিন্ন সময়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলেও তা সম্পূর্ণ হয়নি, আবার তা দখল হয়েছে, এসেছে নতুন দখলদার।

বক্তারা আরো বলেন, নদীর প্রতি অবহেলার জন্য পৃথিবীর অনেক সভ্যতা বিলুপ্ত হয়েছে, বুড়িগঙ্গা ধ্বংস হলে ঢাকা শহরও ধ্বংস হবে। নান্দনিক সৌন্দর্য, মৎস্য সম্পদ, নৌ-পরিবহন, জনমানুষের জীবন-জীবিকা ও সুস্বাস্থ্যের জন্য বুড়িগঙ্গাসহ অন্য নদীগুলোকে রক্ষা করার দাবি জানান তারা। 

এ সময় পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক ড. আব্দুল মতিন, বাপার যুগ্ম সম্পাদক শরীফ জামিল, বুড়িগঙ্গা বাঁচাও আন্দোলনের সমন্বয়কারী মিহির বিশ্বাস, আনিসুল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Read more

রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরার অধিকার রয়েছে

নিউজ ডেস্ক : ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট বলেছেন, রোহিঙ্গারা নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় এবং সেই অধিকার তাদের আছে। একমাত্র মিয়ানমার সরকারের পক্ষেই রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।

বৃহস্পতিবার বিকেলে কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত জাগো ফাউন্ডেশন আয়োজিত ন্যাশনাল উইথ অ্যাসেম্বলি ২০১৭ এর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান মিয়ানমারের কাছে রয়েছে। রোহিঙ্গারা নিরাপদে থাকুক, মানবিক সহায়তা পাক এবং শিক্ষার সুবিধা পাক। আমি মনে করি, শরণার্থী রোহিঙ্গারা যাতে নিরাপদে দেশে ফিরে যেতে পারেন এটা সবার লক্ষ্য।

বাংলাদেশের ৮টি বিভাগের ২০০ জন যুব প্রতিনিধির অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই অ্যাসেম্বলির দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত বার্নিকাট এবং তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

এতে তরুণ সমাজ ও উদ্যোক্তা, তরুণ সমাজের উন্নয়নের মিডিয়ার ভূমিকা, এসডিজির ১৭টি লক্ষ্য, পানি ও পয়ঃনিষ্কাশনসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়।

Read more

সার্বভৌম সম্পদ তহবিল গঠন করতে যাচ্ছে সরকার

নিউজ ডেস্ক : দেশে সভরেন ওয়েলথ ফান্ড (এসডব্লিউএফ) বা সার্বভৌম সম্পদ তহবিল গঠন করতে যাচ্ছে সরকার। প্রাথমিকভাবে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দিয়ে শুরু হবে এই তহবিল। এই তহবিলের অনুমোদিত মূলধন হচ্ছে ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে তহবিল গঠনের অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বিদেশি ঋণ সুবিধাসহ জনস্বার্থে বহুমুখী ব্যবহারে হবে এই তহবিল। আজকের মন্ত্রিসভায় তহবিল গঠনের প্রাথমিক প্রস্তাব অনুমোদন হয়েছে। এরপর আইন তৈরি হবে, তারপর হবে অবকাঠামোসহ এর লক্ষ্য-উদ্দেশ্য।

রিজার্ভের টাকায় এ তহবিল গঠন করা হচ্ছে জানিয়ে মো. শফিউল আলম বলেন, আমাদের রিজার্ভ যদি ৩০ থেকে ৩২ বিলিয়ন ডলার হয় সেখান থেকে আমরা যদি ২ বিলিয়ন ডলার দিয়ে তহবিল শুরু করি তাহলে রিজার্ভে খুব বেশি প্রভাব পড়বে না। তা ছাড়া আমাদের অর্থনীতিতেও কোনো ধরনের বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেবে না। এভাবে বছরে ২ বিলিয়ন ডলার করে ৫ বছরে ১০ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করা হবে।

তিনি বলেন, বিদেশি রিজার্ভ কাজে লাগানোর চিন্তা থেকে এ তহবিল করা হচ্ছে। পৃথিবীর অনেক দেশেই এ ধরনের তহবিল আছে। এটা আমাদের প্রয়োজন হয়। যখন আমরা বিদেশিদের সঙ্গে ম্যাচিং ফান্ড করি, তখন তো আমাদের ডলার দিতে হয়। যেমন ধরুন, জেডিসিএফ (জাপানি ঋণ মওকুফ সহায়তা তহবিল), ইসিএফ (আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বর্ধিত ঋণ সহায়তা) বা কোনো বিদেশি ব্যাংক আমাদের লোন দিল, বলা হলো ওটার সঙ্গে সরকার সমপরিমাণ ডলার দেবে। তখন এটার সাপোর্ট দেওয়ার জন্য আমাদের কোনো ব্যবস্থা থাকে না। এখন যদি এই তহবিলটা গঠন করা হয়, তাহলে সেই সুবিধা আমরা পাব।

তহবিলের বহুমুখী ব্যবহার হতে পারে জানিয়ে শফিউল আলম বলেন, সরকার জনস্বার্থে যেকোনো বিনিয়োগে এই তহবিল থেকে অর্থ ব্যবহার করতে পারবে। এটা থেকে অবকাঠামো নির্মাণও করা যাবে। সব ইমার্জেন্সিও পূরণ করা যাবে।

 

Read more

শ্রীপুরে খোলা জায়গায় পোল্ট্রি ফার্মের বর্জ্যে : দূষিত হচ্ছে পরিবেশ

গাজীপুর প্রতিনিধি : গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বেশ কয়েকটি পোল্ট্রি ফার্মের বর্জ্যে খোলা জায়গায় ফেলায় বিপাকে পড়েছে কৃষকেরা। পোল্ট্রি ফার্মের বর্জ্যে খোলা জায়গায় ফেলায় শত বিঘা কৃষি জমিতে চাষাবাদ প্রায় বন্ধের পথে। মারাত্মক হুমকিতে রয়েছে এলাকার পরিবেশ। এমন অবস্থা থেকে রেহাই পেতে চায় এলকাবাসী।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের সিংগারদিঘী গ্রামের জেড আই জালালের রানা পোল্ট্রি ফার্মের বর্জ্যে অবাধে ছেড়ে দিচ্ছে পাশের কৃষি জমিতে। ফার্মের পশ্চিম দিকে একটি সলিং রাস্তা তার পাশেই তৈরি করে রেখেছে বিশাল বড় একটি বর্জ্যের খোলা গর্ত। এখানে পড়ছে পোল্ট্রির বর্জ্য, মরা মুরগি, পচা ডিম। এগুলো গর্তের পানিতে পচে আশপাশের ব্যাপক দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। ওই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শতাধিক গ্রামবাসী চলাচল করে এবং সিংগারদিঘী উচ্চ বিদ্যালয়ের ওই এলাকার শিক্ষার্থীদের চলাচলের একমাত্র রাস্তা এটি। রাস্তার পাশ দিয়ে হেঁটে গেলে দুর্গন্ধে নাক চেপে ধরলেও গন্ধে পেট ফুলে যাবে এতে কোন সন্দেহ নেই। পচা বর্জ্যে পানির সাথে মিশে প্রায় অর্ধশত বিঘা কৃষি জমিতে ছড়িয়ে পড়েছে। দূষিত এ পানি কৃষকের পায়ে লাগলে ঘা ও চর্মরোগসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়। কৃষি জমিতে ফসল রোপন করলে তা নষ্ট হয়ে যায়। এই ভয়ে কৃষি জমিতে ফসল আবাদ বন্ধ করে দিয়েছে কৃষকরা।

একই চিত্র উপজেলার অন্যান্য পোল্ট্রি ফার্মের। ফার্মগুলো হলো, কেওয়া পূর্ব খন্ডের মাওনা-শ্রীপুর পাকা সড়কের পাশে শাহজাহান মিয়ার সাদিক পোল্ট্রি ফার্ম, গাজীপুর ইউনিয়নের নগর হাওলা গ্রামের হাসু মিয়ার পোল্ট্রি ফার্ম, ধনুয়া দক্ষিণ পাড়া গ্রামের তাইজ উদ্দিনের পোল্ট্রি ফার্ম, তেলিহাটি ইউনিয়নের আবদার গ্রামের নাজমুল মিয়ার পোল্ট্রি ফার্ম ও একই এলাকার সেলিম মিয়ার পোল্ট্রি ফার্ম।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক কৃষক জানান, রানা পোল্ট্রি ফার্মের মালিক অনেক ক্ষমতাধর। তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুললে অনেক সমস্যা হয়। এই পোল্ট্রির বর্জ্যের কারণে আমি পাঁচ বিঘা ধানের জমিতে চাষ করতে পারছি না। এমন আরও অনেকে তাদের জমিতে চাষ করতে পারছে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পোল্ট্রি ফার্মের বর্জ্যে খোলা জায়গায় ফেললে যেমন পরিবেশ দূষিত হয়, তেমনি বর্জ্যে পানিতে মিশে আবাদি জমিও নষ্ট করে। এ পোল্ট্রি শিল্পে দেশ যতটা লাভবান হওয়ার কথা ছিল, তার চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তার পাশাপাশি আমাদের মানবদেহে কঠিন রোগ বাসা বাঁধছে।

ডাক্তারা বলছেন, বর্জ্যের গন্ধ বাতাসের সাথে মিশে মানবদেহে প্রবেশ করে। এতে শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়াজনিত রোগ দেখা দিচ্ছে। দূষিত পানিতে নামলে শরীরে ঘা ও চর্মরোগসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে পারে কৃষকরা।

বিভিন্ন পোল্ট্রি ফার্মের মালিকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তাদের নির্দিষ্ট কোন জায়গা নেই, যেখানে তারা পোল্ট্রির বর্জ্যে ফেলতে পারে। সবাই খোলা জায়গায় বর্জ্য ফেলছেন। অধিক অর্থ ব্যয় হয় বলে পাকা দালান করে বর্জ্যের গর্ত তৈরি করেন না তারা।

রানা পোল্ট্রির মালিক জেড আই জালাল বলেন, আমার পোলট্রির বর্জ্য নির্দিষ্ট গর্তে ফেলা হয়। আমার জমিতে আমি বর্জ্য ফেলব, এতে কারও সমস্যা হওয়ার কথা না।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আব্দুল আউয়াল বলেন, এই পোল্ট্রি ফার্মগুলোর বর্জ্য খোলা জায়গায় ফেলে কি না, তা তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, পরিবেশের ক্ষতি হয় এমন কোন জায়গায় পোল্ট্রির বর্জ্য ফেলা যাবে না। আমরা খামারিদের নির্দিষ্ট গর্ত ব্যবহারে পরামর্শ দিয়ে থাকি।

 

Read more

কালিয়াকৈরে দুটি ঝুটের গুডাউনে অগ্নিকান্ড

কালিয়াকৈর প্রতিনিধি : গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা পল্লীবিদ্যুৎ জোড়াপাম্প এলাকায় দুটি ঝুটের গুডাউনে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ঘটেছে। ঘটনায় কালিয়াকৈর ফায়ারসার্ভিস এর দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছে প্রায় ২ ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে।

শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। 

কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার অপূর্ব বল জানান, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে চন্দ্রা পল্লীবিদ্যুৎ জোড়াপাম্প এলাকায় জাকির হোসেনের একটি ঝুটগুডাউনে প্রথমে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়। পরে মূহুর্তের মধ্যে আগুন পাশের রফিকের গুডাউনে ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। খবর পেয়ে কালিয়াকৈর ফায়ারসার্ভিস এর দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছে আগুন নেভানোর কাজে যোগ দিয়ে প্রায় ২ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে।

আগুনে ওই দুটি গুডাউনে থাকা সমস্ত মালামাল পুড়ে যায়। এতে প্রায় ৪০/৫০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে গুডাউন মালিকরা দাবী জানান।

এদিকে, তাৎক্ষনিক ভাবে আগুন লাগার কারন সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছেনা বলেও জানান ফায়ার সার্ভিসের ওই কর্মকর্তা। 

 

Read more