বর্ষ ১ - সংখ্যা ৪৯

সংবাদ শিরোনাম :
মার্চেই প্রাথমিকে ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ ::. গাজীপুরে অস্ত্র ও গুলিসহ ৬ ডাকাত আটক ::. গাজীপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আ.লীগ প্যানেল জয়ী ::. গাজীপুরের শ্রীপুরে সড়কে গর্ত ও ধুলায় জনদুর্ভোগ চরমে ::. গাজীপুরের ‘জাগ্রত চৌরঙ্গী’ এখন মূত্রত্যাগীদের পাবলিক টয়লেট !! ::. কালিয়াকৈরে কবরস্থানের জমিতে মার্কেট নির্মাণের অভিযোগ ! ::. উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী ড. মেঘনাদ সাহার স্মরণ সভা পালিত ::. শ্রী শ্রী মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান ও অষ্টকালীন লীলা কীর্তন অনুষ্ঠিত ::. মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানির দ্বার উন্মোচন ::. পুলিশি হামলা : দুঃশাসনের বহিঃপ্রকাশ : বিএনপি ::. বুড়িগঙ্গার সীমানা নির্ধারণ ও দখলদার উচ্ছেদের দাবি ::. রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরার অধিকার রয়েছে ::. সার্বভৌম সম্পদ তহবিল গঠন করতে যাচ্ছে সরকার ::. শ্রীপুরে খোলা জায়গায় পোল্ট্রি ফার্মের বর্জ্যে : দূষিত হচ্ছে পরিবেশ ::. কালিয়াকৈরে দুটি ঝুটের গুডাউনে অগ্নিকান্ড ::.
A+ A A-

এ কোন পরিস্থিতি-মানুষ মারার রাজনীতি!!

Khunগাজীপুর২৪.কম। সম্পাদকীয়ঃ বিরোধী দল রাজনৈতিক ক্ষেত্রে প্রতিবাদের ভাষা প্রকাশ করার জন্য যে সমস- কর্মসূচী দিত তার মধ্যে স্ট্রাইক, ধর্মঘট, হরতাল, মানববন্ধন, কালো ব্যাচ ধারণ, মৌন মিছিল, অনশন, লং মার্চ, রোড মার্চ, রাস্তা অবরোধ ইত্যাদি। ইদানিং অবস্থা দৃষ্টে মনে হয় এ সমস্ত কর্মসূচী ধীরে ধীরে ম্লান হয়ে আসছে। সাধারণ আম-জনতার সংশ্লিষ্টতা না থাকায় এর কার্যকারিতাও অনেকাংশে কমে যাচ্ছে। দৃশ্যতঃ রাজনৈতিক দলগুলো যে কর্মসূচীই দিক না কেন এর মধ্যে সাধারণ জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটে না। তাই কর্মসূচীগুলো হয়ে যায় পন্ড ও অযৌক্তিক। জনগণকে সম্পৃক্ত করতে না পারলে, জনগণের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটাতে না পারলে এবং বাস্তব ও জনকল্যাণমূখী কর্মসূচী না থাকলে কোন কর্মসূচীই মূলতঃ কাজে লাগে না। তাই বলতে হয়-

“যাই করো করতে হবে জনগণের স্বার্থে-
তানা হলে পারবে শুধু জনগণকে মারতে”

এ জনগণ মারার কর্মসূচী সকল দেলের পরিহার করতে হবে। জনগণ বান্ধব, জনগণের উপকারে আসে এমন সব ইস্যূ নিয়ে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। বর্তমানে সকল দলের নেতা-নেত্রীগণ নিজের জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে ভাড়াটিয়া লোক দিয়ে কর্মসূচী পরিচালনা করে থাকেন। নেতা-নেত্রীগণ ঘরে বসে হুকুম দেন। আর ভাড়াটিয়া কর্মীরা বলতে থাকে-“অমুক ভাই ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই, অমুক ভাই এগিয়ে চলো, আমরা আছি তোমার সাথে”। উপর মহল থেকে আসে রাজপথ রক্তে রঞ্জিত করার নির্দেশ আর একটা লাশ। ঐ লাশটাকে পূঁজি করে আসে হুংকার, দেয়া হয় নতুন কর্মসূচীর ঘোষণা। এ ভাবে কোন রাজনৈতিক কর্মসূচীই সফল হয় না। প্রত্যেক দলই ভিন্ন মতের ভিন্ন ধারার রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। আসুন সকল দল, মত নির্বিশেষে এক হয়ে কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে উচ্চারণ করি-

‘এসো সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঐক্যমত্য সৃষ্টি করি-
হিংসা বিদ্বেষ সকল ভুলে সোনার বাংলা দেশ গড়ি’।

মিনতি ভরে বলতে হয়-

‘তিলে তিলে ধ্বংস হয়ে নিঃস্ব হচ্ছে দেশ-
হায়রে বাঙালী এটাই কী সোনার বাংলাদেশ!’।

পরিশেষে বলতে হয়-

‘তব কান্ডারী রাত হলো ভারী, কখন নিশি হবে ভোর
উড়বে রঙিন পাল, ধরবে কঠিন হাল, বাতাসে বাজিবে পত্তর’।