বর্ষ ১ - সংখ্যা ৪৯

সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ হতে হবেঃ অধ্যাপক ডা. এসএম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু: শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করন সময়ের দাবী: সিলেটে ত্রান না পাওয়ার অভিযোগ করায় অভিযোগকারিকে আওয়ামীলীগ নেতার মারধর: ইউএনও’র বিরুদ্ধে মামলা প্রভাবশালীদের ইন্ধনে!: আন্তর্জাতিক পাবলিক সার্ভিস দিবস আজ: গাজীপুর আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা: কালীগঞ্জে অসহায় গ্রামবাসীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ প্রদান: বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক ঘুরে দেখলেন সজিব ওয়াজেদ জয়: বিএনপির সদস্য হতে নারী ও তরুণদের ব্যাপক আগ্রহ: ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নিয়ে সমালোচনায় ট্রাম্প: ইরানের পরমাণু সমঝোতা বাস্তবায়ন করুন : চীন: মার্চেই প্রাথমিকে ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ : গাজীপুরে অস্ত্র ও গুলিসহ ৬ ডাকাত আটক: গাজীপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আ.লীগ প্যানেল জয়ী: গাজীপুরের শ্রীপুরে সড়কে গর্ত ও ধুলায় জনদুর্ভোগ চরমে:
A+ A A-

এ কোন পরিস্থিতি-মানুষ মারার রাজনীতি!!

Khunগাজীপুর২৪.কম। সম্পাদকীয়ঃ বিরোধী দল রাজনৈতিক ক্ষেত্রে প্রতিবাদের ভাষা প্রকাশ করার জন্য যে সমস- কর্মসূচী দিত তার মধ্যে স্ট্রাইক, ধর্মঘট, হরতাল, মানববন্ধন, কালো ব্যাচ ধারণ, মৌন মিছিল, অনশন, লং মার্চ, রোড মার্চ, রাস্তা অবরোধ ইত্যাদি। ইদানিং অবস্থা দৃষ্টে মনে হয় এ সমস্ত কর্মসূচী ধীরে ধীরে ম্লান হয়ে আসছে। সাধারণ আম-জনতার সংশ্লিষ্টতা না থাকায় এর কার্যকারিতাও অনেকাংশে কমে যাচ্ছে। দৃশ্যতঃ রাজনৈতিক দলগুলো যে কর্মসূচীই দিক না কেন এর মধ্যে সাধারণ জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটে না। তাই কর্মসূচীগুলো হয়ে যায় পন্ড ও অযৌক্তিক। জনগণকে সম্পৃক্ত করতে না পারলে, জনগণের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটাতে না পারলে এবং বাস্তব ও জনকল্যাণমূখী কর্মসূচী না থাকলে কোন কর্মসূচীই মূলতঃ কাজে লাগে না। তাই বলতে হয়-

“যাই করো করতে হবে জনগণের স্বার্থে-
তানা হলে পারবে শুধু জনগণকে মারতে”

এ জনগণ মারার কর্মসূচী সকল দেলের পরিহার করতে হবে। জনগণ বান্ধব, জনগণের উপকারে আসে এমন সব ইস্যূ নিয়ে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। বর্তমানে সকল দলের নেতা-নেত্রীগণ নিজের জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে ভাড়াটিয়া লোক দিয়ে কর্মসূচী পরিচালনা করে থাকেন। নেতা-নেত্রীগণ ঘরে বসে হুকুম দেন। আর ভাড়াটিয়া কর্মীরা বলতে থাকে-“অমুক ভাই ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই, অমুক ভাই এগিয়ে চলো, আমরা আছি তোমার সাথে”। উপর মহল থেকে আসে রাজপথ রক্তে রঞ্জিত করার নির্দেশ আর একটা লাশ। ঐ লাশটাকে পূঁজি করে আসে হুংকার, দেয়া হয় নতুন কর্মসূচীর ঘোষণা। এ ভাবে কোন রাজনৈতিক কর্মসূচীই সফল হয় না। প্রত্যেক দলই ভিন্ন মতের ভিন্ন ধারার রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। আসুন সকল দল, মত নির্বিশেষে এক হয়ে কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে উচ্চারণ করি-

‘এসো সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঐক্যমত্য সৃষ্টি করি-
হিংসা বিদ্বেষ সকল ভুলে সোনার বাংলা দেশ গড়ি’।

মিনতি ভরে বলতে হয়-

‘তিলে তিলে ধ্বংস হয়ে নিঃস্ব হচ্ছে দেশ-
হায়রে বাঙালী এটাই কী সোনার বাংলাদেশ!’।

পরিশেষে বলতে হয়-

‘তব কান্ডারী রাত হলো ভারী, কখন নিশি হবে ভোর
উড়বে রঙিন পাল, ধরবে কঠিন হাল, বাতাসে বাজিবে পত্তর’।