বর্ষ ১ - সংখ্যা ৪৯

সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ হতে হবেঃ অধ্যাপক ডা. এসএম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু: শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করন সময়ের দাবী: সিলেটে ত্রান না পাওয়ার অভিযোগ করায় অভিযোগকারিকে আওয়ামীলীগ নেতার মারধর: ইউএনও’র বিরুদ্ধে মামলা প্রভাবশালীদের ইন্ধনে!: আন্তর্জাতিক পাবলিক সার্ভিস দিবস আজ: গাজীপুর আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা: কালীগঞ্জে অসহায় গ্রামবাসীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ প্রদান: বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক ঘুরে দেখলেন সজিব ওয়াজেদ জয়: বিএনপির সদস্য হতে নারী ও তরুণদের ব্যাপক আগ্রহ: ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নিয়ে সমালোচনায় ট্রাম্প: ইরানের পরমাণু সমঝোতা বাস্তবায়ন করুন : চীন: মার্চেই প্রাথমিকে ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ : গাজীপুরে অস্ত্র ও গুলিসহ ৬ ডাকাত আটক: গাজীপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আ.লীগ প্যানেল জয়ী: গাজীপুরের শ্রীপুরে সড়কে গর্ত ও ধুলায় জনদুর্ভোগ চরমে:
A+ A A-

ভারতের মোদি কবে নেবে গদি!!

Modiবাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, বার্মা ভারতের সীমান্তবর্তী দেশ। প্রত্যেকটি দেশেই স্বাধীন ও সার্বভৌম। প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে ভারত আমাদের বাংলাদেশের বন্ধু প্রতীম দেশ। দেশ বিভক্তির পূর্ব থেকে স্বাধীনতা উত্তর ভারতের সাথে বাংলাদেশের সুন্দর ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। এরই ধারাবাহিক দৃষ্টিকোণ থেকে দৃঢ় বিশ্বাস যে দেশে যে দলই সরকার গঠন করুক না কেন, তাতে প্রতিবেশী দেশের ক্ষতির কারণ হতে পারে না। আন্তর্জাতিক দিক থেকেও প্রত্যেকটি দেশের নিজস্ব সার্বভৌমত্ব আছে। আমাদের দেশের অনেক বুদ্ধিজীবি আছেন যারা বিজেপি সরকার গঠন করলে বাংলাদেশের এই হবে অই হবে। কিন্তু এটাও ভেবে দেখতে হবে যদি কোন দেশ তার প্রতিবেশীর সাথে প্রতিবেশী সুলভ আচরণ না করে বৈরী আচরণ করে সে ক্ষেত্রে অন্যান্য প্রতিবেশী দেশগুলো বৈরী আচরণকারী দেশকে অবজ্ঞা ও ঘৃণা করে। ভারত যদি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বৈরী আচরণ করে তবে ভারতের মধ্যে অবস্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদী দলগুলো সোচ্চার হয়ে উঠবে। ভাবতে অবাক লাগে আমাদের দেশের বুদ্ধিজীবিগণ আজকাল বুদ্ধির ঢেঁকি হয়ে স্বর্গসুখের আশা করছেন। যাই হোক বুদ্ধিজীবিদের দোষ দিয়ে লাভ নেই পালে যদি গোপাল থাকে আর সেই পালে যেদিক থেকে বাতাস আসে বুদ্ধিজীবিগণ হাওয়ার দোলে ঐদিকে হেলে যান। মত প্রকাশের ভাব, ভাষা, ছন্দ, লয়, মাত্রা, তাল সবকিছু গুলিয়ে বেতাল হয়ে মাতালের মত কথা বলতে থাকেন। ভারতের কাশ্মির সমস্যা, আসাম, মিজুরাম ও ত্রিপুরা রাজ্যের বিচ্ছিন্নতাবাদী সমস্যা সামাল দিতেই ভারতের নাস্তানাবুদ হতে হবে। অপরদিকে, কংগেসের নেতৃস্থানীয় নেতা-নেত্রীগণ কম সংখ্যক আসন পেলেও তাদের রাজ্য পরিচালনার অভিজ্ঞতা অনেক বেশী। তারা বসে বসে ঘাষ ঘাষ কাটবেন না। তাছাড়া নরেন্দ মোদী সাহেব এক মমতা ব্যানার্জীকে সামলাতেই হিমসিম খেয়ে ভীমরতিতে ধরে গেছে। বাংলাদেশ নিয়ে চিন্তা করার আগে নিজের দেশের চিন্তা করতে হবে। আর বীর বাঙালী রক্ত দিতে জানে। আমাদের দেশের কতিপয় অসাধু ব্যক্তি যদি ভারতের পক্ষে দালালী না করে তবে ভারতই কোণঠাষা হয়ে যাবে। সোজা পথ অনেক ভালো আর বক্র হলে সেটাকে অবলম্বন করে কোন লাভ নেই। তাই দেশের কথা ভাবুন, দেশকে নিয়ে চিন্তা করুন, দেশের উন্নতির কথা ভাবুন তাহলেই সকল সমস্যার সমাধান পেয়ে যাবেন। আমাদের দ্বিধা দ্বন্ধ বিভেদ সকল ভুলে একত্রে কাজ করতে হবে। প্রয়োজনে দরকার হলে সরকারও যদি ভারতের মোদির তোষামোদি করেন তবে আমাদের প্রতিবাদ জানাতে হবে। তবে বিজেপি তাদের ভূখন্ডকে মনে হয় বেশী প্রাধ্যান্য দিবে। অনেকে বলেন-ভারতের মোদি, সরকার গঠন করে যদি, তবে থাকবে না বাংলার গদি। ভাবতে অবাক লাগে তাহলে ভারতের গদি দেখবে? এ প্রশ্ন রেখে শেষ করলাম।