বর্ষ ১ - সংখ্যা ৪৯

সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করন সময়ের দাবী: সিলেটে ত্রান না পাওয়ার অভিযোগ করায় অভিযোগকারিকে আওয়ামীলীগ নেতার মারধর: ইউএনও’র বিরুদ্ধে মামলা প্রভাবশালীদের ইন্ধনে!: আন্তর্জাতিক পাবলিক সার্ভিস দিবস আজ: গাজীপুর আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা: কালীগঞ্জে অসহায় গ্রামবাসীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ প্রদান: বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক ঘুরে দেখলেন সজিব ওয়াজেদ জয়: বিএনপির সদস্য হতে নারী ও তরুণদের ব্যাপক আগ্রহ: ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নিয়ে সমালোচনায় ট্রাম্প: ইরানের পরমাণু সমঝোতা বাস্তবায়ন করুন : চীন: মার্চেই প্রাথমিকে ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ : গাজীপুরে অস্ত্র ও গুলিসহ ৬ ডাকাত আটক: গাজীপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আ.লীগ প্যানেল জয়ী: গাজীপুরের শ্রীপুরে সড়কে গর্ত ও ধুলায় জনদুর্ভোগ চরমে: গাজীপুরের ‘জাগ্রত চৌরঙ্গী’ এখন মূত্রত্যাগীদের পাবলিক টয়লেট !!:
A+ A A-

সেঞ্চুরির সেঞ্চুরিটা করলেন মুশফিকই

ব্যাটসম্যানদের জন্য এ বছরটি বেশ পয়মন্ত। বছরের শুরু থেকে ওয়ানডে ক্রিকেট ভাসছে রানের বন্যায়। সে বন্যার প্রকোপেই হয়তো এ বছর ৫০ ওভারের খেলায় একের পর এক সেঞ্চুরি করে যাচ্ছেন ব্যাটসম্যানেরা। কাল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে সেঞ্চুরির দেখা পেলেন মুশফিকুর রহিমও। তাঁরই কল্যাণে বিরল এক রেকর্ডের সঙ্গে জড়িয়ে গেল বাংলাদেশের নামও। শনিবার মুশফিকের সেঞ্চুরিটি ছিল এই বছর ওয়ানডে ক্রিকেটের শততম সেঞ্চুরি। এই প্রথমবারের মতো এক বছরে সেঞ্চুরির ‘সেঞ্চুরি’ দেখল ওয়ানডে ক্রিকেট।
ওয়ানডেতে চার ফিল্ডার বৃত্তের বাইরে রাখার নিয়ম চালুর পর থেকেই ক্রিকেটে রান ও সেঞ্চুরির সংখ্যা বেড়ে গিয়েছিল। গত দুই বছরেই সর্বমোট ওয়ানডে সেঞ্চুরির রেকর্ডটি নতুন করে লিখতে হয়েছিল। কিন্তু এ বছর ব্যাটসম্যানরা যেন আরও ‘খুনে’ মেজাজে। এতটাই যে বছরের অর্ধেকটা পেরোতে না পেরোতেই সব রেকর্ড দুমড়ে মুচড়ে গেল। এ বছরের প্রথম সেঞ্চুরিটি এসেছিল মাহেলা জয়াবর্ধনের ব্যাট থেকে, ১১ জানুয়ারি। তার ঠিক দুই মাস পরেই জয়াবর্ধনের সতীর্থ কুমার সাঙ্গাকারার কল্যাণে সেঞ্চুরির ‘ফিফটি’টি হয়ে যায়। বিশ্বকাপ অবশ্য এ বছর সেঞ্চুরির আধিক্যে একটা বড় ভূমিকা রেখেছে। বিশ্বকাপের বছরগুলোতে সেঞ্চুরির সংখ্যা এমনিতেই একটু বেড়ে যায়। কিন্তু বছরে একশটি সেঞ্চুরি, ব্যাপারটা কিন্তু অন্যমাত্রাই যোগ করছে ক্রিকেট ইতিহাসে।
এর আগে ২০১৪ সালে ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি হয়েছিল ৭৯ টি— যা ২০১৩ সালের চেয়ে দুটি বেশি। ২০১২ সালটিকে ব্যাটসম্যানদের ‘খরা’র বছরই বলা চলে। ক্রিকেট দুনিয়া সে বছর দেখা পেয়েছে মাত্র ৪৩ সেঞ্চুরির। এরপরই নতুন নিয়ম ক্রিকেটে সেঞ্চুরির সংখ্যা বাড়িয়েছে।
২০১৫ সালকে অবশ্য ভাগ করা যায় দুটি অধ্যায়ে। চার ফিল্ডারের নিয়ম চালু অবস্থায় বছরের প্রথমভাগ দেখেছে ৭৫টি সেঞ্চুরি। গত জুলাইয়ের পর ৪০ ওভারের পর পাঁচ ফিল্ডারের নিয়মে ফিরে আসার পর গতকাল পর্যন্ত মাত্র ২৬টি সেঞ্চুরি দেখেছে ওয়ানডে ক্রিকেট।
সেঞ্চুরির এমন প্লাবনের সবচেয়ে বেশি ফায়দা তুলেছেন দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যানরা। এ বছর মোট ১৮টি সেঞ্চুরি পেয়েছে প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানরা। নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা পেয়েছেন ১৫ টি। তালিকার তিন নম্বরে আছেন শ্রীলঙ্কান ব্যাটসম্যানরা ১৩টি সেঞ্চুরি নিয়ে। এই তালিকায় বাংলাদেশের অবদান ৭টি সেঞ্চুরি। মজার ব্যাপার হচ্ছে এই তালিকায় বেশ পিছিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। আরও মজার ব্যাপার হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার (৬ টি) চেয়ে সেঞ্চুরির সংখ্যায় এগিয়ে আছে জিম্বাবুয়ে (৯ টি) !
ব্যক্তিগতভাবে বছরটি নিজেদের করে নিয়েছেন এবি ডি ভিলিয়ার্স আর কুমার সাঙ্গাকারা। দুজনেই করেছেন ৫টি করে সেঞ্চুরি। বাংলাদেশের তিনজন—মাহমুদউল্লাহ, তামিম ইকবাল এবং মুশফিকুর রহিম করেছেন দুটি করে সেঞ্চুরি। মুশফিকের ব্যাট থেকে বছরের শততম সেঞ্চুরিটি আসার কিছু সময় পরেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সেঞ্চুরি করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মারলন স্যামুয়েলস সংখ্যাটিকে নিয়ে গেছেন ১০১-এ!