বর্ষ ১ - সংখ্যা ৪৯

সংবাদ শিরোনাম :
মার্চেই প্রাথমিকে ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ ::. গাজীপুরে অস্ত্র ও গুলিসহ ৬ ডাকাত আটক ::. গাজীপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আ.লীগ প্যানেল জয়ী ::. গাজীপুরের শ্রীপুরে সড়কে গর্ত ও ধুলায় জনদুর্ভোগ চরমে ::. গাজীপুরের ‘জাগ্রত চৌরঙ্গী’ এখন মূত্রত্যাগীদের পাবলিক টয়লেট !! ::. কালিয়াকৈরে কবরস্থানের জমিতে মার্কেট নির্মাণের অভিযোগ ! ::. উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী ড. মেঘনাদ সাহার স্মরণ সভা পালিত ::. শ্রী শ্রী মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান ও অষ্টকালীন লীলা কীর্তন অনুষ্ঠিত ::. মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানির দ্বার উন্মোচন ::. পুলিশি হামলা : দুঃশাসনের বহিঃপ্রকাশ : বিএনপি ::. বুড়িগঙ্গার সীমানা নির্ধারণ ও দখলদার উচ্ছেদের দাবি ::. রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরার অধিকার রয়েছে ::. সার্বভৌম সম্পদ তহবিল গঠন করতে যাচ্ছে সরকার ::. শ্রীপুরে খোলা জায়গায় পোল্ট্রি ফার্মের বর্জ্যে : দূষিত হচ্ছে পরিবেশ ::. কালিয়াকৈরে দুটি ঝুটের গুডাউনে অগ্নিকান্ড ::.
A+ A A-

মুস্তাফিজকে নিয়ে মাশরাফির ‘ফিক্সিং’ ভীতি!

Mustafiz 1মুস্তাফিজুর রহমানকে নিয়ে দুশ্চিন্তার যথেষ্ট কারণ রয়েছে মাশরাফি বিন মুর্তজার। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য ‘আশীর্বাদ’ সে। কিন্তু আইপিএলে খেলতে থাকাকালীন সময়ে মুস্তাফিজকে নিয়ে অধিনায়কের ভয় একটু ‘অন্যরকম’। সেটা ফিক্সিংয়ে জড়িয়ে পড়ার ভয়।

মাশরাফির মতে, মুস্তাফিজের সারল্যের সুযোগ নিতে পারে বাজিকররা। চাপে ফেলে ‘কাঁটার মাস্টার’কে ফিক্সিংয়ে বাধ্য করা হতে পারে। ভয়টা তাই থাকছেই।

রবিবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুশীলন করতে এসে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে নিজের এমন ভয় সম্পর্কে বলেন। বলেছেন, ‘মুস্তাফিজকে নিয়ে আমার খুব ভয় হয়। ওকে আবার বাজিকররা টার্গেট করে ম্যাচ ফিক্সিংয়ে বাধ্য করে কিনা! এটা নিয়েই আমার বেশি চিন্তা। যদিও আইপিএল খেলতে যাওয়ার আগে আমি মুস্তাফিজকে বলেছি, কখনো কোনো সমস্যা মনে হলে আমাকে ফোন করে জানাবি। সুজন (বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজামুদ্দিন চৌধুরী সুজন) ভাইয়ের ফোন নাম্বার নিয়ে যেতেও বলেছি। কিছু হলে ওনাকেও ফোন করে জানাতে বলেছি।’

অধিনায়কের পরামর্শ অনুযায়ীই কাজ করছেন মুস্তাফিজ। হোটেলের লবিতেও বের হন না সেভাবে। সবাই ঘুরতে গেলেও, তিনি ঘরেই সময় কাটান।  এক ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে মাশরাফিকে একই খবর নিশ্চিত করেছেন সাকিব আল হাসানও। ব্যাঙ্গালুরুতে তিনি নাকি অনেক জোর করে তাকে হোটেল রুম থেকে বের করেছেন।

হায়দ্রাবারের হয়ে খেলেছেন দুইটি ম্যাচ। মাত্র তিন উইকেট নিলেও, রান খরচের (দুই ম্যাচে ৫৫ রান) দিক থেকে ছিলেন দলের মধ্যে অন্যতম কৃপণ। এছাড়া বল হাতে অনেক কঠিন সময়েও প্রতিপক্ষকে চেপে ধরতে সমর্থ হন।